|

স্ট্যান ম্যাককাবে

১৬ জুলাই, ১৯১০ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের গ্রেনফেল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

‘ন্যাপার’ ডাকনামে ভূষিত স্ট্যান ম্যাককাবে সিডনিভিত্তিক সেন্ট যোসেফস কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। তবে, কোন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেননি। ১৯২৮-২৯ মৌসুম থেকে ১৯৪১-৪২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলটির অধিনায়কত্ব করেছেন। ১৯৩৯-৪০ মৌসুমে দলের শিরোপা বিজয় ভূমিকা রাখেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেন। সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সের সদস্য ছিলেন। তবে, দূর্বল স্বাস্থ্যের কারণে ভিক্টোরিয়া ব্যারাকে কেরাণীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। যুদ্ধকালীন পায়ের আঘাতের কারণে মাঝে-মধ্যে খেলায় অংশ নিতেন। অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের ফলে দলীয় সঙ্গীদের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তায় বিরূপ প্রভাব ফেলেনি।

১৯৩০ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ৩৯ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯ বছর বয়সে ১৯৩০ সালে বিল উডফুলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড সফরে যান। এ পর্যায়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তিনি কোন শতরানের সন্ধান পাননি। এরপর থেকে পরবর্তী আট বছরে দল থেকে বাদ পড়েননি।

১৩ জুন, ১৯৩০ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক ঘটে। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ ও ৪৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/২৩ ও ১/৪২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৯৩ রানে জয়লাভ করে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

২৭ জুন, ১৯৩০ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৪৪ ও ২৫* রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২৯ ও ০/১১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৭ উইকেটে জয় পেলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতা আনয়ণে সমর্থ হয়।

১৯৩০-৩১ মৌসুমে নিজ দেশে জ্যাকি গ্র্যান্টের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১২ ডিসেম্বর, ১৯৩০ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৯০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৩২ ও ০/১৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ১০ উইকেটে জয়লাভ করলে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩১ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ২ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ইনিংস ও ১২২ রানে পরাজিত হলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩১ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ২১ ও ৪৪ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, ১/২৬ ও ০/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ৩০ রানে পরাজয়বরণ করলেও ৪-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

১৯৩১-৩২ মৌসুমে নিজ দেশে জক ক্যামেরনের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৩১ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৭৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪/১৩ ও ০/২৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ১৫৫ রানে জয় পেয়ে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

বডিলাইন সিরিজের সাথে যুক্ত রেখে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখেন। ১৯৩২-৩৩ মৌসুমে নিজ দেশে ডগলাস জার্ডিনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২ ডিসেম্বর, ১৯৩২ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ১৮৭* ও ৩২ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ১/৪২ ও ০/১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিক দল ১০ উইকেটের ব্যবধানে শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হল পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, ৩০ নভেম্বর, ১৯৩২ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩২ ও ০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ১১১ রানে জয় পেয়ে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতায় আসে।

১৯৩৪ সালে দ্বিতীয়বারের মতো অ্যাশেজ সিরিজ খেলতে বিল উডফুলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। এ সফরে বেশ সাফল্যের পরিচয় দেন। ২২ জুন, ১৯৩৪ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ৩৪ ও ১৯ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৩৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। হ্যাডলি ভেরিটি’র স্মরণীয় বোলিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৩৮ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতায় ফেরে।

একই সফরের ২০ জুলাই, ১৯৩৪ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে নিয়ে ২৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৩ ও ০/৫ বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

এরপর, ১৮ আগস্ট, ১৯৩৪ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১০ ও ৭০ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২১ ও ২/৫ বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঐ খেলায় তাঁর দল ৫৬২ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পেলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে ভিক রিচার্ডসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। এ সফরে তিনি দলের সহঃঅধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৩৫ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ২৫ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১৪৯ ও ৭* রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২৮ ও ০/৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৯ উইকেটে জয়লাভ করলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ১ জানুয়ারি, ১৯৩৬ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে জেন বালাস্কাসের বলে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ৭৮ রানে জয় পেলে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৩৬-৩৭ মৌসুমে নিজ দেশে গাবি অ্যালেনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১ জানুয়ারি, ১৯৩৭ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১/৭ ও ০/৩২ লাভ করেন। পাশাপাশি, ব্যাট হাতে নিয়ে ৬৩ ও ২২ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। ঐ খেলায় তাঁর দল ৩৬৫ রানে জয় পেলেও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৭ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১১২ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ইনিংস ও ২০০ রানে পরাজয়বরণ করলে সফরকারীরা ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৩৮ সালে ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১০ জুন, ১৯৩৮ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ১৩ জুন, ১৯৩৮ তারিখে নিজস্ব সর্বোচ্চ ২৩২ রানের ইনিংস খেলেছেন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এ ইনিংস অন্যতম সেরা ইনিংসের মর্যাদা পায়। অ্যাশেজ টেস্টের এক অধিবেশন থেকে সর্বাধিক রান সংগ্রহের কৃতিত্বের অধিকারী হন। ঐ টেস্টের তৃতীয় দিন মধ্যাহ্নভোজন ও চাবিরতির মাঝখানে ১০০ বল মোকাবেলায় ১২৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯ রান তুলেন। উভয় ক্ষেত্রেই তিনি হ্যাডলি ভেরিটি’র শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই সফরের ২২ জুলাই, ১৯৩৮ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১ ও ১৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৫ উইকেটে জয়লাভ করে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

এরপর, ২০ আগস্ট, ১৯৩৮ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। লেন হাটনের ৩৬৪ রানের কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকা ঐ টেস্টে তিনি ১৪ ও ২ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে কেন ফার্নসের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৮৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৫৭৯ রানে জয়লাভ করলে সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে শেষ করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

টেস্টগুলো থেকে ছয় শতক সহযোগে ৪৮.২১ গড়ে ২৭৪৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ৪৯.৩৮ গড়ে ১১৯৫১ রান তুলেছিলেন। আন্তঃযুদ্ধের বছরগুলোয় অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ও সেরা বিনোদনধর্মী ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। সর্বদাই ডন ব্র্যাডম্যানের সাফল্যে ম্লান হয়ে পড়তেন। তাসত্ত্বেও, কখনো কখনো খেলায় কিছুটা আলোকচ্ছটা ছড়িয়েছেন। যখনই বিশুদ্ধ সৌন্দর্য্যের হাতছানি দেয়, তখনই তিনি তা নিজের করে নিতে সচেষ্ট থাকতেন। তাঁর সম্মানার্থে এমসিজিতে ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। ৫ জানুয়ারি, ২০১০ তারিখে অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তানের মধ্যকার টেস্টের তৃতীয় দিন খেলা শুরুর পূর্বে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে তাঁর আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করা হয়।

১৯৩৪ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ তারিখে স্পোর্ট অস্ট্রেলিয়া হল অব ফেমে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, কুমার সাঙ্গাকারা, মন্টি নোবেল, অব্রে ফকনার, লিয়ারি কনস্ট্যান্টাইন, বিনু মানকড়, টেড ডেক্সটার, বব উইলিসডেসমন্ড হেইন্সের সাথে একযোগে আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৫ তারিখে সিডনি সেন্ট মেরিজ ক্যাথেড্রালে এডনা মে লিন্টন নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। এ দম্পতির এক পুত্র ও এক কন্যা ছিল। ২৫ আগস্ট, ১৯৬৮ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের মোসম্যানের বিউটি পয়েন্ট এলাকায় ৫৮ বছর ৪০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। নর্দার্ন সাবার্বস সমাধিক্ষেত্রে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট