১৮ আগস্ট, ১৯৯৫ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-পেস বোলিংয়ে পারদর্শী তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন।
সেন্ট যোসেফস কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ধ্রুপদীশৈলীর ডানহাতি উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে সীমানা বরাবর বল ফেলতে বেশ পারঙ্গমতা প্রদর্শনে অগ্রসর হন। দলের প্রয়োজনে নিজেকে বেশ মেলে ধরতে সচেষ্ট থাকেন। ২০১৩-১৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স, ইস্টার্ন প্রভিন্স, নর্দার্ন কেপ, নাইটস, বোল্যান্ড ও ওয়ারিয়র্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কেপ কোবরাজ, বর্ডার, প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালস, দক্ষিণ আফ্রিকার বিদ্যালয়, দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে খেলেছেন।
২০১৪ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার শিরোপা বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ব্যাট হাতে নিয়ে সম্মুখে থেকে অগ্রসর হন। সেমি-ফাইনালে ৯২ বলে ৭৪ রান সংগ্রহ করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। ২৭ মার্চ, ২০১৪ তারিখে জিকিবার্হায় ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স বনাম ইস্টার্ন প্রভিন্সের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। ২০১৫ সালের আফ্রিকা টি২০ কাপে বর্ডার ক্রিকেট দলের সদস্য ছিলেন।
২০২২-২৩ মৌসুমের ঘরোয়া ক্রিকেটে বোল্যান্ডের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে মনোনীত হন। এছাড়াও, বর্ষসেরা ব্যাটসম্যান, বর্ষসেরা টি২০ খেলোয়াড় ও বর্ষসেরা ফোর-ডে খেলোয়াড় হিসেবে তাঁকে মনোনয়ন দেয়া হয়। ২০২৩-২৪ মৌসুমকে ঘিরে বোল্যান্ড কর্তৃপক্ষ শন ফন বার্গের সাথে তাঁকে চুক্তিবদ্ধ করে।
২০২৩-২৪ মৌসুম থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। এ মৌসুমে নীল ব্রান্ডের অধিনায়কত্বে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের প্রত্যেকটিতে অংশ নেন। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। এডওয়ার্ড মুর, নীল ব্রান্ড, রুয়ান ডি সোয়ার্ট, রেনার্ড ফন টন্ডার ও টিশেপো মোরেকি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৯ ও ১১ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। তবে, রচিন রবীন্দ্রের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ২৮১ রানে পরাজিত হলে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ৩ রান সংগ্রহ করেন। তন্মধ্যে, দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টের প্রথম ইনিংসে ম্যাট হেনরি’র বলে গোল্ডেন ডাকে বিদেয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ ও একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। তবে, উইলিয়াম ও’রোর্কের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা খেলায় ৭ উইকেটে জয়লাভসহ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। এ সিরিজে মোটেই সুবিধে করতে পারেননি তিনি। ৫.৭৫ গড়ে ২৩ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ ও দুইটি স্ট্যাম্পিং করেছিলেন।
