উপযোগী ও বৃষ্টিস্নাত উইকেটে ইংল্যান্ড দল টসে জয়ী হয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নামে। রে লিন্ডওয়াল, কিথ মিলার ও বিল জনস্টনের ত্রি-মূখী পেস আক্রমণে ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানেরা পুরোপুরি নাজেহাল হয়ে পড়ে। তবে, ৭৪/৮ থাকা অবস্থায় জিম লেকার ও অ্যালেক বেডসার পরিস্থিতি সামাল দিলে দলের সংগ্রহকে ১৬৫ রানে নিয়ে যান। অস্ট্রেলীয় বোলারদের মধ্যে বিল জনস্টন সর্বাপেক্ষা সফল ছিলেন। তিনি ৫/৩৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান।
এর প্রত্যুত্তরে ডন ব্র্যাডম্যান (১৩৮) ও লিন্ডসে হ্যাসেট (১৩৭) দলের ভিত্তি গড়নে অগ্রসর হন। এ দু’জন পঞ্চম উইকেটে ১৩০ রানের জুটি গড়েছিলেন। জ্যাক ইয়ংয়ের নিখুঁতমানের বোলিং সত্ত্বেও সফরকারীরা ৫০৯ রান তুলে। এক পর্যায়ে জ্যাক ইয়ং উপর্যুপরী ১১ ওভার মেইডেন লাভ করেছিলেন।
রে লিন্ডওয়াল পেশীর টানে ভুগলে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিং করতে পারেননি। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ডেনিস কম্পটন ধৈর্য্যের চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে মনোযোগ সহকারে ১৮৪ রানের স্মরণীয় ইনিংস খেলেন। তাঁর এ ইনিংসটি তিনদিনের অধিক সময় নিয়ে শেষ হয় ও নয়বার বৃষ্টি, মন্দালোক কিংবা পূর্বনির্ধারিত বিরতির কবলে পড়ে। অবশেষ উইকেটে থিতু থাকাকালীন কিথ মিলারের বাউন্সার থেকে আত্মরক্ষা করতে গিয়ে বিদেয় নেন। নটিংহামের দর্শক, ১৯৩০-এর দশকের বডিলাইনের সাথে যুক্ত হ্যারল্ড লারউড ও বিল ভোস, কিথ মিলারের ভয়ঙ্কর বোলিং উপভোগ করেন।
আর্থার মরিস ও ডন ব্র্যাডম্যানের উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া দল খুব সহজেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। এ পর্যায়ে ডন ব্র্যাডম্যান, অ্যালেক বেডসারের বলে ব্যাকওয়ার্ড শর্ট লেগ অঞ্চলে দণ্ডায়মান লেন হাটনের মুঠোয় ধরা পড়ে বিদেয় নেন। প্রথম ইনিংসেও তিনি এ ঘটনার পুণরাবৃত্তি ঘটিয়েছিলেন।
| দল | ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া |
| মৌসুম | ১৯৪৮ |
| মাঠ | ট্রেন্ট ব্রিজ, নটিংহাম |
| তারিখ | ১০ – ১৫ জুন, ১৯৪৮ |
| টেস্ট নং | ২৯৯, ১ম টেস্ট (৫) |
| টস | ইংল্যান্ড |
| আম্পায়ার | আর্নেস্ট কুক ফ্রাঙ্ক চেস্টার |
| স্কোরকার্ড | ইংল্যান্ড: ১৬৫ ও ৪৪১ অস্ট্রেলিয়া: ৫০৯ ও ৯৮/২ |
| ফলাফল | অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী |
