১৩ নভেম্বর, ১৯০১ তারিখে বার্বাডোসের টেলর্স ল্যান্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে সবিশেষ পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

বার্বাডোসে জন্মগ্রহণ করলেও শৈশবকালে ব্রিটিশ গায়ানায় পরিবারের সাথে চলে যান। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ব্রিটিশ গায়ানার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৫-২৬ মৌসুম থেকে ১৯৩৮-৩৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। প্রথম তিনটি প্রথম-শ্রেণীর খেলার সবগুলোই ১৯২৬ সালে বোর্দায় সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ব্যাট হাতে সাধারণমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করলেও বল হাতে নিয়ে ২৪ গড়ে তিন উইকেট পেয়েছিলেন। এছাড়াও, একবার বার্বাডোস বংশোদ্ভূত দলের সদস্যরূপে বহিঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে খেলে ব্যক্তিগত সেরা ৪/৮২ লাভ করেছিলেন।

১৯৩৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯২৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্ট খেলতে দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। রবার্ট নুনেসের নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরূপে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া কোন টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। এছাড়াও, এ সফরে তেমন সুবিধে করতে পারেননি। আটটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। কেবলমাত্র কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত সেরা ৬১ রান তুলেছিলেন ও পূর্বতন সেরা ৫৯ রানকে অতিক্রম করেছিলেন। এগুলোই তাঁর ২০টি খেলা নিয়ে গড়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অর্ধ-শতরানের ইনিংস ছিল। এরপূর্বে ১৯২৩ সালে টেস্ট মর্যাদা লাভের পূর্বে ইংল্যান্ড সফর করেছিলেন।

এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রতিযোগিতাধর্মী ক্রিকেট খেলার বাইরে থাকেন। অনেকটা বিস্ময়করভাবে ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে নিজ দেশে আর. ই. এস. ওয়াটের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের বিপক্ষে খেলার জন্যে আমন্ত্রিত হন। মূলতঃ ঐ সময়ের দল নির্বাচন নীতির আলোকে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৫ তারিখে জর্জটাউনের বোর্দায় অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। কেন উইশার্টের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ২০ ওভার বোলিং করে ৩১ রান খরচ করে উইকেট শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করেন। এরপর, ব্যাট হাতে নিয়ে অপরাজিত ১১ ও ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতে নিয়ে জর্জ পেইনকে ১৮ রানে জ্যাকি গ্রান্টের কটে পরিণত করে নিজের একমাত্র উইকেটের সন্ধান পেয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে সমতা বিরাজ করে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।

এরপর আর তাঁকে আঞ্চলিক দলে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেয়া হয়নি। কেবলমাত্র তিন বছর পর আরেকবার প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ২৮ মার্চ, ১৯৫৯ তারিখে ব্রিটিশ গায়ানার ম্যাকেঞ্জি এলাকায় ৫৭ বছর ১৩৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট