৩১ ডিসেম্বর, ১৯৭৬ তারিখে ইয়র্কশায়ারের লিডসে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
‘অগি’ ডাকনামে ভূষিত ম্যাথু হগার্ড ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। পাডসি গ্র্যাঞ্জফিল্ডে পড়াশুনো করেছেন। জিসিএসই ও এ-লেভেল সম্পন্ন করেছেন। বলকে ঘোরানোয় ও নিখুঁতভাব বজায় রাখার দিকেই অধিক দৃষ্টিনিবদ্ধ রাখতেন। লীগ ক্রিকেটে সফলতা লাভের পর নিজেকে সেরা বোলারে পরিণত করে তুলেন।
ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে লিচেস্টারশায়ার ও ইয়র্কশায়ার এবং দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ফ্রি স্টেট দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৯৬ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেছেন। ৩ জুলাই, ১৯৯৬ তারিখে হেডিংলি কার্নেগিতে সফররত দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ইয়র্কশায়ারের সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ১৯ জুলাই, ২০০০ তারিখে কাউন্টি ক্যাপ লাভের অধিকারী হন।
২০০০ সালের সানডে লীগ প্রতিযোগিতায় দেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীতে পরিণত হয়েছিলেন। ১২.৩৭ গড়ে ৩৭ উইকেট দখল করেন। অদ্যাবধি এটি সংগ্রহটি ইয়র্কশায়ারের যে-কোন বোলারের চেয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। ২০০১ সালে ইয়র্কশায়ারের চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা বিজয়ে সাত খেলা থেকে ২৬ উইকেট নিয়ে ৩৩ বছরের মধ্যে দলকে প্রথমবারের মতো শিরোপার সন্ধান এনে দেন।
২০০০ থেকে ২০০৮ সময়কালে ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ৬৭ টেস্ট ও ২৬টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ২০০০ সালে নিজ দেশে জিমি অ্যাডামসের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৯ জুন, ২০০০ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/৪৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ১২* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ডমিনিক কর্কের অসাধারণ ক্রীড়া সাফল্যে স্বাগতিকরা ২ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতা আনয়ণে সক্ষম হয়।
২০০১-০২ মৌসুমে নাসের হুসাইনের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ৩ ডিসেম্বর, ২০০১ তারিখে মোহালিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৩/৯৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। অনিল কুম্বলে’র স্মরণীয় অল-রাউন্ড সাফল্যে সফরকারীরা ১০ উইকেটে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে যান। এ মৌসুমে নাসের হুসাইনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সদস্যরূপে খেলেন। ১৩ মার্চ, ২০০২ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৪২ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে টেস্টে প্রথমবারের শতরানের সন্ধান পান। খেলায় তিনি ০ ও ১৩৭ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে নাথান অ্যাসলে’র শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২৯ ও ২/৯৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। গ্রাহাম থর্পের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯৮ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
২০০২ সালে নিজ দেশে সৌরভ গাঙ্গুলী’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৮ আগস্ট, ২০০২ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একমাত্র ইনিংসে ৩২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪/১০৫ ও ১/১০৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ৫ সেপ্টেম্বর, ২০০২ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে হরভজন সিংয়ের বলে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৯৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।
২০০৩-০৪ মৌসুমে মাইকেল ভনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ৩ এপ্রিল, ২০০৪ তারিখে ব্রিজটাউন টেস্টে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টের ইতিহাসের ৩৪তম হ্যাট্রিক লাভ করেন।
একই সফরের ১০ এপ্রিল, ২০০৪ তারিখে সেন্ট জোন্সে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/৮২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক ব্রায়ান লারা’র অপরাজিত চতুর্শতকের কল্যাণে খ্যাতি পাওয়া ঐ টেস্টটি ড্রয়ে পরিণত হলে সফরকারীরা ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।
২০০৪ সালে নিজ দেশে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২০ মে, ২০০৪ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১/৬৮ ও ০/৩৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫ রান সংগ্রহ করেন। অভিষেকধারী অ্যান্ড্রু স্ট্রসের অনবদ্য ব্যাটিং সাফল্যে সফরকারীরা ৭ উইকেটে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১০ জুন, ২০০৪ তারিখে নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে কেডি মিলসের প্রথম উইকেট লাভ করে ১০০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ২/৮৫ ও ০/২৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, গ্রাহাম থর্পের অসামান্য ব্যাটিংয়ের কল্যাণে চার উইকেটে পরাজিত হলে স্বাগতিকরা ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। স্মর্তব্য যে, এ টেস্ট শেষে কিউই অল-রাউন্ডার ক্রিস কেয়ার্নস অবসর গ্রহণ করেন।
একই বছর নিজ দেশে ব্রায়ান লারা’র নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৯ আগস্ট, ২০০৪ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৮ রান সংগ্রহসহ একটি রান-আউটের সাথে নিজেকে জড়ান। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৩১ ও ১/৫০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, স্টিভ হার্মিসনের অনবদ্য অল-রাউন্ড নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।
২০০৪-০৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে মাইকেল ভনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। ১৭ ডিসেম্বর, ২০০৪ তারিখে জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩/৫৬ ও ১/৩৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে অ্যান্ড্রু হলের বলে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। অ্যান্ড্রু স্ট্রসের অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ২ জানুয়ারি, ২০০৫ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ২/৮৭ ও ১/৪৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ১ ও ৭* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, জ্যাক ক্যালিসের অনবদ্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় স্বাগতিকরা ১৯৬ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতা আনয়ণে সক্ষমতা দেখায়।
২০০৫ সালে নিজ দেশে হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ৩ জুন, ২০০৫ তারিখে চেস্টার-লি-স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৩/২৪ ও ৫/৭৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে নিয়ে মাঠে নামার সুযোগ পাননি। তাঁর দূর্দান্ত বোলিংয়ের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ২৭ রানে পরাভূত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।
একই বছর নিজ দেশে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২১ জুলাই, ২০০৫ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৪০ ও ২/৫৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। গ্লেন ম্যাকগ্রা’র অপূর্ব বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৩৯ রানে পরাভূত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
২০০৭-০৮ মৌসুমে মাইকেল ভনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ৫ মার্চ, ২০০৮ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ২ ও ৪ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। উভয় ক্ষেত্রেই তিনি ক্রিস মার্টিনের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/১২২ ও ০/২৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক ড্যানিয়েল ভেট্টোরি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড নৈপুণ্যে সফরকারীরা ১৮৯ রানে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
টেস্টগুলো থেকে ২৩৫ উইকেট পেয়েছেন। এরফলে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা বোলারদের তালিকায় নিজেকে সপ্তম স্থানে চিত্রিত করেন। ইয়র্কশায়ারের অপর কিংবদন্তী ফ্রেড ট্রুম্যান ৩০৭ উইকেট নিয়ে তাঁর চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
ব্যাপক অর্থেই ইংল্যান্ডের একদিনের আন্তর্জাতিক দল থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। তাসত্ত্বেও, ইয়র্কশায়ারের পক্ষে সীমিত-ওভারের খেলাগুলোয় বেশ ভালোমানের ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রেখেছিলেন। ১৭ বছর সফলতার সাথে খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করার পর সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সালে সকল স্তরের ক্রিকেট থেকে স্বীয় অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন।
ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ধারাভাষ্যকর্মের সাথে জড়িত রয়েছেন। ২০০৫ সালের অ্যাশেজ সিরিজ বিজয়ী দলের সদস্যরূপে ২০০৬ সালে নববর্ষের সম্মাননায় এমবিই উপাধীতে ভূষিত হয়েছেন। এপ্রিল, ২০০৬ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন।
