৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩১ তারিখে ইয়র্কশায়ারের স্টেইন্টন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, সাংবাদিক ও লেখক ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন।
জন্মকালীন তাঁর ওজন ১৪ পাউন্ড ১ আউন্স ছিল। পিতা অ্যালান খনিশ্রমিক ও ক্রিকেটপ্রেমী ছিলেন। পিতা-মাতার সাত সন্তানের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন। মল্টবি হল সেকেন্ডারি স্কুলে অধ্যয়ন করেন। এ সময়েই তিনি ফাস্ট বোলিংয়ে উদ্বুদ্ধ হন। তবে, ক্রিকেট বলে আঘাত পেলে দুই মৌসুম খেলার জগৎ থেকে দূরে ছিলেন ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল। কিশোর বয়সে ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। ১৪ বছর বয়সে ক্লাব ক্রিকেটে প্রথম খেলতে নামেন। দুই বছর পর শেফিল্ড ইউনাইটেড ক্রিকেট ক্লাবের সদস্য হন। ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ার ও ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৪৯ থেকে ১৯৬৯ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে বর্ণাঢ্যময় খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। রয়্যাল এয়ার ফোর্সে দায়িত্ব পালনকালীন তাঁকে ইংরেজ দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
১৯৫২ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের পক্ষে সব মিলিয়ে ৬৭ টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে ৩০০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ২১.৫৭ গড়ে ৩০৭ উইকেট দখল করেছিলেন। ১৯৫২ সালে নিজ দেশে বিজয় হাজারে’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৫ জুন, ১৯৫২ তারিখে ২১ বছর বয়সে লিডসের হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীদের সংগ্রহ শূন্য থাকা অবস্থায় চার উইকেট পতনে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৩/৮৯ ও ৪/২৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে শূন্য রানে অপরাজিত ছিলেন। স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে লিওনার্ড হাটনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১৫ জানুয়ারি, ১৯৫৪ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৮ ও ১ রানের ইনিংস খেলেন। পাশাপাশি, ২/১০৭ ও ০/৩২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ১৪০ রানে জয় পেলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
১৯৫৭ সালে নিজ দেশে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২২ আগস্ট, ১৯৫৭ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/৯ ও ১/১৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে নিয়ে ২২ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ২৩৭ রানে জয়লাভ করলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
১৯৫৮ সালে নিজ দেশে জন রিডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৪ জুলাই, ১৯৫৮ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৬৭ ও ০/১১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ১৩ রানে জয়লাভ করে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
এরপর, ২১ আগস্ট, ১৯৫৮ তারিখে ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৩৬ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৯* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৪১ ও ০/৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও সফরকারীরা ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে পিটার মে’র নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া সফর করেন। ৯ জানুয়ারি, ১৯৫৯ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৮ ও ০ রান সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে রিচি বেনো’র শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৩৭ ও ০/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও পূর্বের দুই টেস্টে পরাজয়বরণ করলে সফরকারী পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
একই মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে পিটার মে’র নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৯ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ইসি পেট্রি’র প্রথম উইকেট লাভ করে টেস্টে ১০০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১/৩৯ ও ১/২০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হয়েছিলেন। এছাড়াও, দলের একমাত্র ইনিংসে ২১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঐ টেস্টে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৯৯ রানে পরাজয়বরণ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
১৯৬০ সালে নিজ দেশে জ্যাকি ম্যাকগ্লিউ’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৯ জুন, ১৯৬০ তারিখে বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কয়েকবার ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১১ ও ২৫ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে হিউ টেফিল্ডের শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক ডিজে ম্যাকগ্লিউ’র প্রথম উইকেট লাভ করে টেস্টে ১৫০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। বল হাতে ৪/৫৮ ও ৩/৫৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ১০০ রানে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
১৯৬১ সালে নিজ দেশে রিচি বেনো’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২৭ জুলাই, ১৯৬১ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩ ও ৮ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৫৫ ও ০/৯২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঐ খেলায় স্বাগতিকরা ৫৪ রানে পরাজয়বরণ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে সমতায় চলে আসে।
১৯৬২-৬৩ মৌসুমে টেড ডেক্সটারের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ১১ জানুয়ারি, ১৯৬৩ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩২ ও ৯ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৬৮ ও ২/২০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৮ উইকেটে জয় পেলে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতায় চলে আসে।
একই মৌসুমে টেড ডেক্সটারের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের অন্যতম সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১৫ মার্চ, ১৯৬৩ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে যে-কোন ইংরেজ বোলারের সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এ পর্যায়ে ব্রায়ান স্ট্যাদামের তৎকালীন ২৪২ রানের বিশ্বরেকর্ড ভেঙ্গে নিজের অনুকূলে নিয়ে আসেন। নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে জেসি অ্যালাব্যাস্টারের দ্বিতীয় উইকেট লাভ করে টেস্টে ২৫০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ৭/৭৫ ও ২/১৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ১১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয় পেলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
১৯৬৩ সালে নিজ দেশে ফ্রাঙ্ক ওরেলের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৪ জুলাই, ১৯৬৩ তারিখে বার্মিংহামের এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৫/৭৫ ও ৭/৪৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৪ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ২১৭ রানে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতায় চলে আসে।
১৯৬৪ সালে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দারুণ খেলেন। লর্ডসে সর্বশেষবারের মতো তিনি ৫/৪৮ পান। প্রথম দুইদিন বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হলেও তৃতীয় দিন ইংরেজ অধিনায়ক টেড ডেক্সটার ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলে সুনিয়ন্ত্রিত পন্থায় পেসবিহীন অবস্থায় প্রথম ইনিংসে এ সাফল্য পান। ফলশ্রুতিতে, লর্ডস অনার্স বোর্ডে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি আরও একটি উইকেট পেয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পর্যবসিত হয়।
১৯৬৫ সালে নিজ দেশে জন রিডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ১৭ জুন, ১৯৬৫ তারিখে লর্ডসে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২/৪০ ও ০/৬৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলার হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। কিংবদন্তীতূল্য ইংরেজ পেসারের মর্যাদা পেয়েছিলেন। ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্রায়ান স্ট্যাদামের সাথে তাঁকে আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। খেলোয়াড়ী জীবন শেষে ধারাভাষ্যকর্মের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এছাড়াও, সাংবাদিকতায় অংশ নেন। পাশাপাশি, নৈশভোজন পরবর্তী বক্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। স্বীয় কন্যা রেবেকাকে অভিনেত্রী র্যাকুয়েল ওয়েলচের পুত্রের সাথে বিয়ে দেন। ১ জুলাই, ২০০৬ তারিখে ইয়র্কশায়ারের এয়ারডেল জেনারেল হাসপাতালে ৭৫ বছর ১৪৫ দিন বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে তাঁর দেহাবসান ঘটে। বোল্টন অ্যাবেতে তাঁকে সমাহিত করা হয়। তাঁকে ঘিরে ক্রিস ওয়াটার্স ‘ফ্রেড ট্রুম্যান: দি অদরাইজড বায়োগ্রাফি’ শীর্ষক গ্রন্থ প্রকাশ করেন।
