২৮ মার্চ, ১৯৬৮ তারিখে ভারতের মাদ্রাজে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ-ব্রেক বোলিং করতেন। ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা অধিনায়ক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন।
‘নশান’ ডাকনামে ভূষিত নাসের হোসেন ৬ ফুট উচ্চতার অধিকারী। পিতা জয়াদ হোসেন তামিলনাড়ুর পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলতেন ও চিপকে অনুশীলনীতে তাঁকে সাথে করে নিয়ে যেতেন। ১৯৭৫ সালে পরিবারটি ইংল্যান্ডে অভিবাসিত হলে সেখান ১২ বছর বয়সে এসেক্সের অনূর্ধ্ব-১৫ দলের কনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হন। ব্যাটিং ও লেগ-স্পিন বোলিংয়ে উত্তরণ ঘটান। তবে, অতিরিক্ত লম্বাটে গড়নের কারণে স্পিন আনয়ণ করতে পারতেন না। স্নারেশব্রুকভিত্তিক ফরেস্ট স্কুলে অধ্যয়ন শেষে ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে এসেক্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৭ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন।
১৯৮৯ থেকে ২০০৪ সময়কালে ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ৯৬ টেস্ট ও ৮৮টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ৩০ অক্টোবর, ১৯৮৯ তারিখে নাগপুরে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে প্রবেশ করেন। ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে গ্রাহাম গুচের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অ্যালেক স্টুয়ার্টের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, অ্যালান ল্যাম্বের দূর্দান্ত শতকের কল্যাণে ঐ খেলায় সফরকারীরা খুব সহজেই ৯ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। ঐ সিরিজে ২-১ ব্যবধানে তাঁর দল পরাজিত হলে দল নির্বাচন নীতির কারণে বাদ পড়েন।
১৯৯৩ সালের অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে পুণরায় তাঁকে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ৭১ ও ৪৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। কেবলমাত্র সিরিজের শেষদিকে পুণরায় বাদ পড়েন। ১৯৯৬ সালে আবারও দলে ফিরে আসেন। ভারতের মুখোমুখি হন। প্রথম ইনিংসে ১২৮ রানের ইনিংসে খেলার পর শেষ টেস্টে আবারও শতক হাঁকান। ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন। এরপর থেকে পরবর্তী বছরগুলোয় তিন নম্বর অবস্থান পাকাপোক্ত করেন।
একই বছর নিজ দেশে ওয়াসিম আকরামের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২২ আগস্ট, ১৯৯৬ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১২ ও ৫১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, মুশতাক আহমেদের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে মাইক অ্যাথার্টনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের অন্যতম সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২৪ জানুয়ারি, ১৯৯৭ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৮ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ ও সমসংখ্যক রান-আউটের সাথে জড়িত ছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
১৯৯৭ সালে নিজ দেশে মার্ক টেলরের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৫ জুন, ১৯৯৭ তারিখে বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দারুণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২০৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেলে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।
একই সফরের ২১ আগস্ট, ১৯৯৭ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের ষষ্ঠ ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ৩৫ ও ২ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ফিল টাফনেলের চমৎকার বোলিংশৈলীর কল্যাণে ১৯ রানে জয়লাভ করলেও স্বাগতিকরা ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে মাইক অ্যাথার্টনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১২ মার্চ, ১৯৯৮ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ ও ৪৬* রান সংগ্রহ করেন। মার্ক রামপ্রকাশের অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
১৯৯৮ সালে নিজ দেশে হান্সি ক্রোনিয়ে’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবক দলের মুখোমুখি হন। ২ জুলাই, ১৯৯৮ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৪ ও ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। জ্যাক ক্যালিসের প্রাণান্তঃকর অল-রাউন্ড প্রয়াস সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
১৯৯৯ সালে নিজ দেশে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ১ জুলাই, ১৯৯৯ তারিখে বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ১০ ও ৪৪ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। অ্যালেক্স টিউডরের অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
২২ জুলাই, ১৯৯৯ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ৬ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ২৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ৬১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু, আঘাতের কারণে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে পারেননি। তবে, ম্যাট হর্নের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে পরাজিত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
২০০০-০১ মৌসুমে ইংরেজ দলের নেতৃত্বে থেকে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ৭ মার্চ, ২০০১ তারিখে ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১০৯ ও ১৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, ড্যারেন গফের অসাধারণ বোলিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩ উইকেটে জয়লাভ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
২০০১ সালে নিজ দেশে স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২৩ আগস্ট, ২০০১ তারিখে ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ৫২ ও ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। শেন ওয়ার্নের অসাধারণ বোলিংয়ের সুবাদে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ২৫ রানে পরাভূত হলে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
২০০১-০২ মৌসুমে ইংরেজ দলের অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১৩ মার্চ, ২০০২ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দলের নেতৃত্বে থেকে খেলায় তিনি ১০৬ ও ১১ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে ক্রিস ড্রামের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯৮ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ৩০ মার্চ, ২০০২ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৬ রানে পৌঁছলে টেস্টে ৪০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ২ ও ৮২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, ড্যারিল টাফি’র অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৭৮ রানে পরাজিত হলে অমিমাংসিত অবস্থায় সিরিজটি শেষ হয়।
২০০২ সালে নিজ দেশে সৌরভ গাঙ্গুলী’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৫ জুলাই, ২০০২ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি অপূর্ব ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হয়েছিলেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫৫ ও ১২ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে অজিত আগরকরের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১৭০ রানে জয়লাভ করলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।
২০০৩ সালে গ্রীষ্মে নিজ দেশে হিথ স্ট্রিকের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ীয় দলের মুখোমুখি হন। ২২ মে, ২০০৩ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, মার্ক বুচারের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৯২ রানে পরাভূত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, একই সফরের ৫ জুন, ২০০৩ তারিখে চেস্টার-লি-স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১৮ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। অভিষেকধারী রিচার্ড জনসনের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৬৯ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
২০০৪ সালে নিজ দেশে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২০ মে, ২০০৪ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩৪ ও ১০৩* রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, তিনটি ক্যাচ তালুবন্দীসহ একটি রান-আউটের সাথে জড়িত ছিলেন। অভিষেকধারী অ্যান্ড্রু স্ট্রসের অনবদ্য ব্যাটিং সাফল্যে সফরকারীরা ৭ উইকেটে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
৩১ ডিসেম্বর, ২০০১ তারিখে ওবিই উপাধিতে ভূষিত হন। ২০০৩ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটার সম্মাননা লাভ করেন। অবসর পরবর্তী সময়কালে ধারাভাষ্য কর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ডের মধ্যকার সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে অপর বিখ্যাত ক্রিকেটার জেমস অ্যান্ডারসনকে ১৫০তম টেস্ট ক্যাপ পরিধান করান।
