৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে এমহাঙ্গুরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলেছেন। লেগ-ব্রেক বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ২০১০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
২০০৮-০৯ মৌসুম থেকে ২০১৮-১৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ইস্টার্নস ও মাউন্টেনিয়ার্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ৩১ মার্চ, ২০০৯ তারিখে হারারেতে সেন্ট্রালস বনাম ইস্টার্নসের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
১৮ বছর বয়সে নামিবিয়ার বিপক্ষে খেলার জন্যে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো মনোনীত হন। তবে, খেলায় তেমন কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। নিজের পছন্দের তালিকায় শহীদ আফ্রিদিকে রেখেছেন যা তাঁকে প্রকৃত অল-রাউন্ডারে পরিণত করতে সাহায্য করেছে।
২০১১ থেকে ২০১৬ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট, ছয়টিমাত্র ওডিআই ও পাঁচটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। ২০০৯ সাল থেকে জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর নজরে রয়েছেন। অবশেষে ২০১১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজ খেলার জন্যে মনোনীত হন। ২৫ অক্টোবর, ২০১১ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে। এর দুই বছর পর মার্চ, ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি২০আইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন।
২০১৪-১৫ মৌসুমে ব্রেন্ডন টেলরের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ে দলের সাথে বাংলাদেশ গমন করেন। ৩ নভেম্বর, ২০১৪ তারিখে খুলনায় স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ব্রায়ান চারি’র সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, খেলায় সাধারণমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছেন ও দলে নিয়মিত সদস্যের মর্যাদা পাননি। ১/১২৭ ও ৪/৮২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ১৬২ রানে পরাজিত হয়েছিল ও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ১২ নভেম্বর, ২০১৪ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। এ টেস্টেও সুবিধে করতে পারেননি। ০/১৪৯ ও ২/৭৭ বোলিং বিশ্লেষণ গড়েন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৮ ও ০ রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ১৮৬ রানে পরাজিত হয় ও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
