৬ অক্টোবর, ১৮৬৭ তারিখে হ্যাম্পশায়ারের হাউন্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। দলে মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। আক্রমণাত্মক ধাঁচে ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। তবে, দূর্বল স্বাস্থ্যের কারণে খেলোয়াড়ী জীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৮৮৯ থেকে ১৯০২ সময়কাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্রিকেটে হ্যাম্পশায়ার ও কেন্টের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তন্মধ্যে, হ্যাম্পশায়ারের পক্ষে এগারো মৌসুম খেলেন। সেনাবাহিনীতে চাকুরী করতেন। শুরুতে কেন্টের সদস্য ছিলেন। এ পর্যায়ে নটিংহ্যামশায়ারের বিপক্ষে রোমাঞ্চপূর্ণ বিজয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস উপহার দেন। ফলশ্রুতিতে, ১৮৮৯ সালে কেন্ট-নটিংহ্যামশায়ার-ল্যাঙ্কাশায়ারের চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা বিজয়ের সম্ভাবনা দেখা দেয়।
তবে, কেন্ট দলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যর্থ হন। এরপর, অনেক সেনাসদস্যের ন্যায় তিনিও হ্যাম্পশায়ারের পক্ষে খেলেন। তাঁর ড্রাইভে বেশ জোর ছিল। অন-সাইডে প্রচণ্ড শক্তিতে বলকে আঘাত করতেন। উইজডেনে তাঁর স্মরণে মন্তব্য করা হয় যে, ‘মিড-অন অঞ্চলে অবস্থানকারী ফিল্ডারদেরকে সর্বদাই সজাগ থাকতে হতো।’ ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি কার্যকর বোলার হিসেবেও নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন। ১৪১টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট লাভ করেছেন।
সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের পক্ষে মাত্র একটি টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ হয়েছিল তাঁর। ১৮৯১-৯২ মৌসুমে বিদেশ সফরে ইংল্যান্ডের দুইটি পৃথক দলের একটি হিসেবে ওয়াল্টার রিডের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ১৯ মার্চ, ১৮৯২ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। উইলিয়াম চ্যাটারটন, অ্যালেক হার্ন, জর্জ হার্ন, জ্যাক হার্ন ও ডিক পাওয়ারের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ২৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ইনিংস ও ১৮৯ রানে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
২৩ মার্চ, ১৯০৬ তারিখে হ্যাম্পশায়ারের বেলে ভ্যু এলাকায় মাত্র ৩৮ বছর ১৬৮ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
