২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে বুলাওয়েতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০০৪ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ব্যাট ও বল হাতে নিয়ে অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপন করেছিলেন। ৩১.৪০ গড়ে ১৫৭ রান ও ৫ উইকেট দখল করেন। ফলশ্রুতিতে, সংশ্লিষ্ট নজর কাড়তে সক্ষম হন। ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিদ্রোহী খেলোয়াড়দের অসহযোগিতায় সৃষ্ট সঙ্কট দূরীকরণে জাতীয় দলে তাঁর খেলার প্রত্যাশা করেছিলেন সংশ্লিষ্ট ক্রিকেট বিশ্লেষকেরা। তবে, তাঁর পিতা কলিন উইলিয়ামস পুত্রকে জাতীয় দলে খেলতে নিরুৎসাহিত করেন ও পড়াশুনোয় মনোনিবেশ ঘটানোর দিকে নজর দেয়ার কথা বলেন। এছাড়াও, ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ের দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এ প্রতিযোগিতায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দলের বিস্ময়কর জয়ে নেতৃত্ব দেন। বোর্ডের সাথে মতপার্থক্যের বিষয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ গুজবকে পাশ কাটিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে চুক্তিবদ্ধ হন।

কলিন উইলিয়ামস ও প্যাট্রিসিয়া ম্যাককিলপ দম্পতির সন্তান। ক্রিকেটপ্রেমী পরিবারের জন্মগ্রহণ করে বিশ্বস্ত বামহাতি ব্যাটসম্যানের পরিচিতি লাভ করেন। এছাড়াও, জিম্বাবুয়ের কার্যকর বামহাতি স্পিনার হিসেবে খেলেন। খুব ছোটবেলা থেকে ক্রিকেটে হাতেখড়ি ঘটে। পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ক্রিকেট খেলতে থাকেন। ২০০৪-০৫ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ১৮ বছর বয়সে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ২৬ অক্টোবর, ২০০৪ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত মাতাবেলেল্যান্ড বনাম ম্যাশোনাল্যান্ডের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে মাতাবেলেল্যান্ড ও মাতাবেলেল্যান্ড তুস্কার্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, গল মারভেলস, শারজাহ ওয়ারিয়র্স, সেন্ট লুসিয়া জুকস, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, দূর্দান্ত ঢাকা, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, জিম্বাবুয়ে ‘এ’, জিম্বাবুয়ে বোর্ড একাদশ, জিম্বাবুয়ে প্রভিন্সেস, জিম্বাবুয়ে নির্বাচিত একাদশ, জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ও জিম্বাবুয়ে একাদশের পক্ষে খেলেছেন।

২০০৫ সাল থেকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০০৪-০৫ মৌসুমে দলের সাথে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ তারিখে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম খেলেন। অবশ্য, জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সে অনুষ্ঠিত ঐ ওডিআইয়ে তেমন কোন প্রভাব ফেলতে পারেননি। মাত্র ১২ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন ও দল পরাজিত হয়। ২৮ নভেম্বর, ২০০৬ তারিখে খুলনায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে টি২০আইয়ে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেন।

২০০৭ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। দলের ফলাফল হতাশাব্যঞ্জক হলেও স্বল্প কয়েকজন খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে কিছুটা আশার প্রদীপ জ্বালান। স্বাগতিক দলের বিপক্ষে ৭০ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন। ২০১১ সালে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ে দলের সদস্য ছিলেন। কিন্তু, বৃদ্ধাঙ্গুলে আঘাতের কারণে অনিচ্ছাসত্ত্বেও দেশে ফিরে আসতে হয়।

এরপর থেকে কয়েক বছর ধরে দলের কার্যকর অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে দলের অবিচ্ছদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে থাকেন। মাঝারিসারিতে দলের ভিত আনয়ণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। দূর্ভাগ্যজনকভাবে দীর্ঘতর সংস্করণের খেলায় এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারেননি।

২০১২-১৩ মৌসুমে ব্রেন্ডন টেলরের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ীয় দলের সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমন করেন। ২০ মার্চ, ২০১৩ তারিখে রোজিওর উইন্ডসর পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৩১ ও ৬ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সিরিজ সেরা শেন শিলিংফোর্ডের অসাধারণ বোলিংয়ের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৬৫ রানে পরাজয়বরণ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে খেলার জন্যে পুণরায় তাঁকে দলে ফিরিয়ে আনা হয়। প্রথমবারের মতো নিজ দেশে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর হাশিম আমলা’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৯ আগস্ট, ২০১৪ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। খেলায় ২৪ ও ৩ রান তুলে যৎকিঞ্চিৎ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৯৫ ও ০/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। অভিষেক ঘটা ডেন পাইতের বোলিং কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে পরাজিত হয়।

তবে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গড়া ত্রি-দেশীয় সিরিজে পুণরায় স্বরূপধারন করেন। প্রোটীয়দের বিপক্ষে অর্ধ-শতক ও সাত উইকেট পান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলের অপ্রত্যাশিত বিজয়ে অংশ নেন।

জিম্বাবুয়ের প্রধান কোচ স্টিফেন ম্যাঙ্গোঙ্গো’র সাথে তাঁর মতবিরোধ ঘটে। ফলশ্রুতিতে, ২০১৪-১৫ মৌসুমে বাংলাদেশ গমন করা থেকে বঞ্চিত হন। তবে, ডেভ হোয়াটমোরকে প্রধান কোচ হিসেবে মনোনীত করা হলে পুণরায় জাতীয় দলে আহুত হন। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ে দলের সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ২০১৭ সালে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছিলেন।

২০১৮-১৯ মৌসুমে হ্যামিল্টন মাসাকাদজা’র নেতৃত্বে জিম্বাবুয়ে দলের সাথে বাংলাদেশ সফরে যান। ৩ নভেম্বর, ২০১৮ তারিখে সিলেটে অনুষ্ঠিত টেস্টে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দলের বিজয়ে স্মরণীয় ভূমিকা রাখেন। এরফলে, ১৭ বছরের মধ্যে প্রথম বিদেশের মাটিতে জয়লাভ করতে সমর্থ হয় ও দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। ৮৮ ও ২০ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, ১/৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২০-২১ মৌসুমে অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে জিম্বাবুয়ে দলকে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। পুরো সিরিজে অসাধারণত্বের পরিচয় দেন। ১০ মার্চ, ২০২১ তারিখে আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ০/৯৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৮ ও ১৫১* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, আফগান দল ৬ উইকেটে জয়লাভে সমর্থ হয় ও সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে ড্রয়ে পরিণত হয়। দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। দুই উইকেটসহ ২৬৪ রান সংগ্রহ করে প্লেয়ার অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২৪ সালে ক্রেগ আরভিনের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ে দলের সদস্যরূপে আয়ারল্যান্ড গমন করেন। ২৫ জুলাই, ২০২৪ তারিখে বেলফাস্টের সিভিল সার্ভিস ক্রিকেট ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩৫ ও ৪০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, ২/১১ ও ০/২১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক অ্যান্ডি ম্যাকব্রায়ানের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৪ উইকেটে জয়লাভ করে।

২০২৪-২৫ মৌসুমে নিজ দেশে হাশমতউল্লাহ শাহীদি’র নেতৃত্বাধীন আফগান দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সফররত আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৫১ রান অতিক্রম করেন। ১৭৪ বল মোকাবেলায় ১৫৪ রানের ইনিংস খেলেন। তাঁর এ শতকটি পঞ্চম ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ছিল। এ পর্যায়ে ৪৫.১১ গড়ে ১২৬৩ রান সংগ্রহ করেছেন। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫* রান সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি, বল হাতে নিয়ে ২/১৪৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, প্রতিপক্ষীয় অধিনায়কের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

এরপর, ২ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৪৯ ও ১৬ রান সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে রশীদ খানের বলে বিদেয় নিয়েছিলেন। রশীদ খানের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে সফরকারীরা ৭২ রানে জয় তুলে নেয় ও ১-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর ক্রেগ আরভিনের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ীয় দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। খেলায় তিনি ২৫ ও ৮৮ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে শোয়েব বশীরের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। শোয়েব বশীরের অনবদ্য কৃতিত্বে সফরকারীরা চারদিনের টেস্টটি তিনদিনেই পরাজয়বরণ করে। ইনিংস ও ৪৫ রানে জয়লাভ করে ইংল্যান্ড দল। এরফলে, ইংল্যান্ড দল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ টেস্টের চারটিতে জয়লাভ করে ও একটি ড্র হয়।

২০২৫ সালে নিজ দেশে কেশব মহারাজের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২৮ জুন, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৩৭ ও ২৬ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। তবে, লুয়ান-ড্রি প্রিটোরিয়াসের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৩২৮ রানে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৬ জুলাই, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৮৩* ও ১১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা উইয়ান মুল্ডারের অসাধারণ ত্রি-শতকের কল্যাণে সফরকারীরা খুব সহজেই ইনিংস ও ৩২৮ রানে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে বিজয়ী হয়।

২০২৫ সালে নিজ দেশে মিচেল স্যান্টনারের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ৭ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০/৩৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ১১ ও ৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ডেভন কনওয়ে’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৩৫৯ রানে পরাভূত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

সম্পৃক্ত পোস্ট