|

হ্যামি লাভ

১০ আগস্ট, ১৮৯৫ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের লিলিফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণের সাথে যুক্ত ছিলেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ১৯৩০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

বিশ্বযুদ্ধের কারণে তাঁর খেলোয়াড়ী জীবন বাঁধার সম্মুখীন হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ইংল্যান্ডে এআইএফের সাথে যুক্ত ছিলেন। এআইএফ দলে থাকলেও পারিবারিক কারণে দেশে ফিরে আসেন। ১৯২০-২১ মৌসুম থেকে ১৯৩২-৩৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলস ও ভিক্টোরিয়া দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

নিউ সাউথ ওয়েলসের পক্ষে প্রথম খেলায় ৯১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, অধিকতর খেলায় অংশগ্রহণের প্রত্যাশা নিয়ে ১৯২২-২৩ মৌসুমে ভিক্টোরিয়ায় চলে যান। ব্যাট হাতে বেশ ভালো করেন ও পাঁচটি শতক হাঁকান। কিন্তু, জ্যাক এলিসের কারণে উইকেট-রক্ষণে সীমিত আকারের সুযোগ পান। ১৯২৭-২৮ মৌসুমে এনএসডব্লিউতে ফিরে আসেন। পরবর্তী ছয় বছর বার্ট ওল্ডফিল্ডের সহকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

১৯৩৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৩২-৩৩ মৌসুমে নিজ দেশে ডগলাস জার্ডিনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৩ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত বডিলাইন সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। আর্নি ব্রোমলি ও লেন ডার্লিংয়ের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। হ্যারল্ড লারউডের বলে আঘাত পেয়ে বার্ট ওল্ডফিল্ডের অনুপস্থিতির কারণে তিনি অংশগ্রহণের সুযোগ পান। তবে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটিই তাঁর সর্বশেষ প্রথম-শ্রেণীর খেলারূপে পরিগণিত হয়। খেলায় তিনি ৫ ও ৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। স্বাগতিকরা ৬ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।

কার্যকর উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান ছিলেন। তবে, বার্ট ওল্ডফিল্ডের সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকতে পারেননি। ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে জ্যাক রাইডারের নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরূপে ভারত সফরে যান।

২২ জুলাই, ১৯৬৯ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের মোসম্যান এলাকায় ৭৩ বছর ৩৪৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট