২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৬ তারিখে গামপাহা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। বামহাতে প্রাণবন্তঃ মিডিয়াম বোলিং করতেন ও বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
৫ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। গুরুকূল কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম থেকে ২০১৩-১৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে বাসনাহিরা নর্থ, চিল’ ম্যারিয়ান্স ক্রিকেট ক্লাব, সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাব এবং তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তন্মধ্যে, তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের পক্ষে ব্যাটিং ও বোলিং – উভয় ক্ষেত্রেই উদ্বোধন করতেন। এরপর, ২০০৩-০৪ মৌসুমে চিল’ মারিয়ান্স সিসি’র পক্ষে যোগ দেন। পর্যাপ্ত প্রতিভাবান ছিলেন ও সফরকারী দলগুলোর বিপক্ষে প্রত্যেক সুযোগই কাজে লাগাতে যথেষ্ট তৎপর ছিলেন। এছাড়াও, শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের সদস্যরূপে বিদেশ ভ্রমণ করেন। তবে, জাতীয় দলে স্থান লাভে তাঁকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। দল নির্বাচকমণ্ডলী প্রায়শঃই কম অবদানকারীকে তাঁর তুলনায় প্রাধান্য দেন।
২০০৫ থেকে ২০০৭ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও তিনটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেছেন। ২০০৪-০৫ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট খেলার জন্যে প্রায় সুযোগের কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। উপুল চন্দনা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের উত্থানে বিরাট ভূমিকা রেখেছেন।
২০০৫ সালে নিজ দেশে শিবনারায়ণ চন্দরপলের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৩ জুলাই, ২০০৫ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ টেস্টের প্রথম দিনে প্রথম উইকেটের সন্ধান পান। তেমন সফলতার স্বাক্ষর না রাখলেও দুই উইকেট দখল করেছিলেন। ২/৪৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ১২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, চামিণ্ডা ভাসের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কারণে স্বাগতিকরা ৬ উইকেটে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ২২ জুলাই, ২০০৫ তারিখে ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ১৪ ও ১২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৯ ও ০/৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কুমার সাঙ্গাকারা’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৪০ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
দুই বছর দলের বাইরে অবস্থানের পর দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপে অংশ নেয়ার লক্ষ্যে জাতীয় দলে পুণরায় ফিরিয়ে আনা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৭ তারিখে জোহানেসবার্গে কেনিয়ার বিপক্ষে টি২০আইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। পরের বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দলের প্রাথমিক তালিকায় তাঁকে রাখা হয়েছিল।
