১৫ নভেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে অ্যান্টিগুয়ায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রিকেট খেলেছেন।

আঞ্চলিক পর্যায়ে বেশ অভিজ্ঞতার ঝুলি রয়েছে। এছাড়াও, ‘এ’ দলের পক্ষে খেলেছেন। রক্ষণাত্মক ভঙ্গীমায়ও চমৎকার কৌশল অবলম্বন করে থাকেন। ব্যাটিং উদ্বোধনে নামানো হলেও মাঝারিসারিতে আক্রমণাত্মক খেলা উপহার দেন। তবে, ইনিংসের ভিত্তি আনয়ণে চেষ্টা চালাতে দেখা যায়নি। কখনও খুবই আক্রমণাত্মক, আবার কখনও বেশ নেতিবাচক ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করে থাকেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা এবং লিওয়ার্ড আইল্যান্ডসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ২০০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেছিলেন। লিওয়ার্ড আইল্যান্ডসের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে আঞ্চলিক পর্যায়ে দারুণ খেলেছেন।

১৯৯৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে চারটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৫ মার্চ, ১৯৯৯ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। পেড্রো কলিন্স ও সুরুজ রঘুনাথের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৫০ ও ৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। উভয় ক্ষেত্রে গ্লেন ম্যাকগ্রা’র শিকারে পরিণত হন। গ্লেন ম্যাকগ্রা’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩১২ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজয়বরণ করলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, ১৩ মার্চ, ১৯৯৯ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, পাঁচটি ক্যাচ তালুবন্দীসহ একটি রান-আউটের সাথে নিজেকে জড়ান। তবে, দলীয় অধিনায়ক ব্রায়ান লারা’র অসাধারণ দ্বি-শতকের (২১৩) কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতা আনতে সমর্থ হয়।

একই সফরের ৩ এপ্রিল, ১৯৯৯ তারিখে সেন্ট জোন্সে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ২৮ ও ১৭ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। উভয় ইনিংসেই অ্যাডাম ডেলের বলে বিদেয় নিয়েছিলেন। জাস্টিন ল্যাঙ্গারের অসামান্য ব্যাটিং নৈপুণ্যে সফরকারীরা ১৭৬ রানে জয় পেলে ২-২ ব্যবধানে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট