১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৪ তারিখে ওতাগোর ওয়াইতাতি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৪২-৪৩ মৌসুম থেকে ১৯৬২-৬৩ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সরব ছিলেন। ঘরোয়া আসরের ক্রিকেটে প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওতাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বার্ট সাটক্লিফের সাথে নিয়মিতভাবে ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন। সীমিত শটে রক্ষণাত্মক ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করতেন। ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৫০ তারিখে অকল্যান্ডে সারাদিন ব্যাটিং করে জাতীয় রেকর্ড গড়েন। দিনের শেষ ওভার পর্যন্ত বার্ট সাটক্লিফ ২৫৮ ও তিনি ৯৬ রান তুলেন। শতক হাঁকানোর চেষ্টায় দিবসের শেষ বলে কট-আউটে বিদেয় নেন। তাঁদের সংগৃহীত ৩৭৩ রানের রেকর্ডটি পরবর্তীতে ১৯৭১-৭২ মৌসুমে জর্জটাউনে গ্লেন টার্নার ও টেরি জার্ভিস ৩৮৭ রানের জুটি গড়লে ম্লান হয়ে পড়ে।

১৯৫৫ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৫০-৫১ মৌসুমে নিজ দেশে সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে নিউজিল্যান্ডের দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। চার বছর পর ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে নিজ দেশে লেন হাটনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের বিপক্ষে একমাত্র আন্তর্জাতিক খেলায় অংশ নেয়ার সুযোগ পান। ১১ মার্চ, ১৯৫৫ তারিখে ডুনেডিনের কারিসব্রুকের নিজ শহরে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ইয়ান কাউহুননোয়েল ম্যাকগ্রিগরের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০ ও ২ রান তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। ৮ উইকেটে জয় পেলে স্বাগতিকরা দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ওতাগোর সাথে যুক্ত ছিলেন। এ পর্যায়ে তিনবার প্লাঙ্কেট শীল্ডের শিরোপা বিজয় করে তাঁর দল। ১৯৬২-৬৩ মৌসুমে ৩৮ বছর বয়সে পুণরায় খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা পান। ২০ বছর বয়সী খেলোয়াড়ী জীবনের কোনটিতেই শতকের সন্ধান পাননি। সব মিলিয়ে ২৩.৩০ গড়ে ২০০৪ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন।

১৫ নভেম্বর, ১৯৯৬ তারিখে ওতাগোর ডুনেডিনে ৭২ বছর ৫৯ দিন বয়সে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট