১৬ নভেম্বর, ১৯৪৪ তারিখে মানাওয়াতুর পালমারস্টোন নর্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৭০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৭১ সাল থেকে ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডারহাম ও হ্যাম্পশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৭৩ থেকে ১৯৭৬ সময়কালে সব মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ১১ টেস্ট ও ৩টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৭২-৭৩ মৌসুমে নিজ দেশে ইন্তিখাব আলমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তান দলের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০/৮১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৪ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দল ইনিংস ও ১৬৬ রানের ব্যবধানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে যায়।
১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে বেভান কংডনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ০/৮০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৬ ও ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া দল ইনিংস ও ২৫ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ৫ জানুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ৩* ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়। এরপর, ২৬ জানুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে কেডি ওয়াল্টার্সের উইকেট লাভ করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ০/৮০। এ পর্যায়ে নিজস্ব প্রথম পাঁচ-উইকেটের সন্ধান পান। খেলায় তিনি ৫/১৪৮ লাভ করেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ২ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৫৭ রানে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।
১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে গ্লেন টার্নারের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ১০ নভেম্বর, ১৯৭৬ তারিখে ওয়াংখেড়েতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩* ও ৭ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ১/৬২ ও ০/২১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ১৬২ রানে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ১৮ নভেম্বর, ১৯৭৬ তারিখে কানপুরে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ২৩ রানের সমকক্ষ হন। খেলায় তিনি ১৫ ও ২৩* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ৩/১২৫ ও ০/৪৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা এগিয়ে যায়।
একই সফরের ২৬ নভেম্বর, ১৯৭৬ তারিখে মাদ্রাজে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ০/৬৯ ও ২/৭০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ২১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ২১৬ রানে পরাজিত হলে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
