১২ অক্টোবর, ১৯৬২ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন।
স্থিরলয়ের অধিকারী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন। সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। জ্যেষ্ঠ তিন ভ্রাতা – অর্জুনা রানাতুঙ্গা, এন রানাতুঙ্গা ও এস রানাতুঙ্গা’র পদাঙ্ক অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার পক্ষে খেলেছেন। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও চারটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া গমনের সুযোগ পেয়েছিলেন। ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে ব্রিসবেনের গাব্বায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। গামিনি বিক্রমাসিংহে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। একমাত্র টেস্ট সিরিজে অংশ নিয়ে ধৈর্য্যের চরম পরাকাষ্ঠা দেখান। দলের একমাত্র ইনিংসে ৪০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, অরবিন্দ ডি সিলভা’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
এরপর, একই সফরের ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে হোবার্টে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ২ ও ৪৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, অরবিন্দ ডি সিলভা’র প্রাণান্তঃকর ব্যাটিং স্বত্ত্বেও স্বাগতিকরা ১৭৩ রানে জয় পেলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।
তাঁর খেলার ধরন অনেকাংশেই দীর্ঘ সংস্করণের খেলার উপযোগী ছিল। একদিনের আন্তর্জাতিকে সীমিত অংশ নিয়ে বেশ হিমশিম খেয়েছিলেন। ৫ ডিসেম্বর, ১৯৯০ তারিখে পুনেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে উপেক্ষিত হবার পর প্রশাসনের দিকে ধাবিত হন। শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী পদে আসীন হন।
