|

ফখর জামান

১০ এপ্রিল, ১৯৯০ তারিখে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের মারদানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী। পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

৫ ফুট ১০ ইঞ্চি (১.৮০ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। অপ্রত্যাশিতভাবে ব্যাট বেশ উঁচুতে রেখে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হন। রান সংগ্রহের সময়ের সাথে অপূর্ব সমন্বয় ঘটান। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করে থাকেন। তাঁর খেলার ধরন অনেকাংশেই একদিনের ক্রিকেটের উপযোগী। ‘বল দেখে, বলে আঘাত’ করার নীতি অবলম্বনের কারণে দর্শকদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটের তারকা খেলোয়াড় পেশাদারী পর্যায়ে ক্রিকেটে অংশ নেয়ার পূর্বে নৌবাহিনীতে কাজ করেছেন।

বাহাদুরের পাকিস্তান নেভি স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। সেখানে অবস্থানকালেই তাঁর মাঝে ক্রিকেটের প্রতি সুগভীর অনুরাগ লক্ষ্য করা যায় ও ধৈর্য্য সহকারে বিদ্যালয় দলে খেলতে থাকেন। ভবিষ্যতে নৌবাহিনীতে কর্মজীবন অতিবাহনের দিকে তাঁর পিতার অবস্থান থাকলেও কোচের পরামর্শক্রমে নেভি ক্রিকেট দল ত্যাগ করে ঘরোয়া ক্রিকেট দলে যুক্ত হন।

২০১২-১৩ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে অ্যাবোটাবাদ, হাবিব ব্যাংক লিমিটেড, খাইবার পাখতুনখোয়া ও পেশাওয়ার এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্ল্যামারগনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, অ্যাবোটাবাদ ফ্যালকন্স, অ্যাবোটাবাদ রাইনোস, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, দানিয়ুব লায়ন্স, করাচী ব্লুজ, করাচী ডলফিন্স, করাচী জেব্রাস, লাহোর কালান্দার্স, পাকিস্তান নেভি ও পাখতুন্সের পক্ষে খেলেছেন।

১৯ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখে মুলতানে অনুষ্ঠিত খেলায় মুলতানের সদস্যরূপে করাচী ব্লুজের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। এরপর থেকেই ধ্রুপদীশৈলীর খেলা উপহার দিতে থাকেন। পাঁচ বছরের অধিক সময় দল নির্বাচকমণ্ডলীর নজরের বাইরে ছিলেন।

২০১৬ সালের পাকিস্তান কাপে আহমেদ শেহজাদের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। দুইটি অর্ধ-শতক ও একটি শতক সহযোগে ৫৯.৪০ গড়ে ২৯৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। চূড়ান্ত খেলায় ১১৫ রান তুলে খাইবার পাখতুনখোয়ার শিরোপা বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। ২০১৬-১৭ মৌসুমের কায়েদ-ই-আজম ট্রফিতে সকলের নজরে চলে আসেন। ৫১ গড়ে ৬৬৩ রান তুলেন। তন্মধ্যে, চূড়ান্ত খেলার দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭০ রানের ইনিংস খেলেন।

সুন্দর খেলা প্রদর্শনের কারণে ২০১৭ সালে পিএসএলের দ্বিতীয় আসরে লাহোর কালান্দার্সের পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। করাচীর বিপক্ষে ৩৩ বলে ৫৬ রান তুলে প্রতিপক্ষের বোলিং বিভাগ তছনছ করে দেন। এ পর্যায়ে দৃষ্টিনন্দন খেলা উপহার দিয়েছিলেন। আট খেলা থেকে ২২.১২ গড়ে ১৭৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ফলশ্রুতিতে, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমনার্থে টি২০আই দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা পান। পাকিস্তান সুপার লীগের ২০১৭ সালের আসরেও দারুণ খেলেন।

২০১৭ সাল থেকে পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ৭ জুন, ২০১৭ তারিখে বার্মিংহামের এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। ঐ খেলায় ৩১ রান তুলেন। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় দারুণ খেলে পাকিস্তানের প্রথম শিরোপা বিজয়ে বিরাট ভূমিকা রাখেন। ভারতের বিপক্ষে চূড়ান্ত খেলায় আজহার আলী’র সাথে ১২৮ রান তুলেছিলেন। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে উদ্বোধনী জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ রান ছিল। এছাড়াও, ২০০৯ সালের পর ওডিআইয়ে উদ্বোধনী জুটিতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রানের জুটির মর্যাদা পায়। শতরানের ইনিংস খেলেন। ১৮ জুন, ২০১৭ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। দল ৩৩৮ রান তুললে ভারত দল ছিটকে পড়ে।

ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের পরাজিত হওয়া উদ্বোধনী খেলায় অংশ নিতে পারেননি। এরপর থেকে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের চিত্র পাল্টে দেন। দ্বিতীয় খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২৩ বল থেকে ৩১ রান তুলে স্বপ্নময় আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ী জীবনের যাত্রা শুরু করেন। এরপর আর তাঁকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অর্ধ-শতকের পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শতক হাঁকিয়ে দলকে চূড়ান্ত খেলায় নিয়ে যান। প্রথম চারটি ওডিআই থেকে ৩১, ৫০, ৫৭ ও ১১৪ তুলেন। ১১৩.০০ স্ট্রাইক রেটে ২৫২ রান তুলে ৫০-ওভারের খেলায় শীর্ষসারিতে অনুকূল প্রভাব ফেলেন।

এরপূর্বে, ৩০ মার্চ, ২০১৭ তারিখে পোর্ট অব স্পেনের কুইন্স পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি২০আইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। প্রথম তিনটি টি২০আই থেকে মাত্র ২৬ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। ক্রিকেট বিশ্বের অনেকেই তাঁর প্রতিভা সম্পর্কে সজাগ ছিলেন না।

২০১৮ সালে পাকিস্তান দলের সাথে জিম্বাবুয়ে সফরে যান। একপেশে ওডিআই সিরিজে সফরকারীরা ৫-০ ব্যবধানে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে দলকে ধবল ধোলাই করে। প্রত্যেক খেলাতেই নতুন রেকর্ডের জন্ম হয়েছে কিংবা ভেঙ্গে পড়েছিল। তন্মধ্যে, ২০ জুলাই, ২০১৮ তারিখে সিরিজের চতুর্থ ওডিআইয়ে প্রথম পাকিস্তানী ব্যাটসম্যান হিসেবে সাদা-বলের ক্রিকেটে দ্বি-শতক হাঁকানোর কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। শচীন তেন্ডুলকর, বীরেন্দ্র শেহবাগ, রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইলমার্টিন গাপটিলের পর ষষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে এ সাফল্য পান। পাশাপাশি, তাঁর এ সংগ্রহটি ওডিআইয়ে পঞ্চম অবস্থানে চলে আসে। তিনি ১৯৯৭ সালে চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সাঈদ আনোয়ারের ১৯৪ রান সংগ্রহের ২১ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙ্গে নিজের করে নেন। এ পর্যায়ে ইমাম-উল-হকের সাথে ৩০৪ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। এরফলে, ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার সনথ জয়সুরিয়া ও উপুল থারাঙ্গা’র ২৮৬ রানের রেকর্ড ভঙ্গ করে ওডিআইয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়ার সাথে নিজেকে জড়ান। ২৪ বছর পূর্বেকার ইনজামাম-উল-হক ও আমির সোহেলের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সংগৃহীত ২৬৩ রানের ওডিআইয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটি ম্লান হয়ে পড়ে।

ইমাম-উল-হক ১২২ বলে ১১৩ রানে বিদেয় নিলেও তিনি মাত্র ১৫৬ বলে প্রায় ১৩৫ স্ট্রাইক রেটে ২১০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ২৪টি চার ও ৫টি ছক্কা নিয়ে তিনি ঐ ইনিংসটি সাজান। এ ইনিংস শেষে শ্রান্ত দেহ নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, ‘আজ আমার দিন। আমি সাঈদের রেকর্ড সম্বন্ধে জানি। কোচ মিকি আর্থার টসের পূর্বে বলেছিলেন যে, যদি টসে আমরা জয়ী হই তাহলে যেন ব্যাটিং করি ও তিনি আমাকে দ্বি-শতক রান তোলার কথা বলে। একই কথা দুই দিন পূর্বেও বলেছিলেন। ইমাম বেশ ভালো খেলেছে ও আমি অস্বস্তিতে থাকলেও সে কথা রেখেছে। পরের খেলায় যাতে মাঝারিসারির ব্যাটসম্যানদের সুযোগ না দেই তার চেষ্টা চালাই।’ ইমাম-উল-হকের বিদায়ের পর আসিফ আলী যোগ দেন ও দ্রুত লয়ে ২২ বলে অর্ধ-শতক হাঁকান। এরফলে, পাকিস্তান দল নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৯৯/১ তুলে জিম্বাবুয়েকে ৪০০ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড় করায়। ওডিআইয়ে এ সংগ্রহটি পাকিস্তানের সর্বোচ্চ। ২০১০ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে দলটি তাদের সর্বোচ্চ ৩৮৫/৭ তুলেছিল। জিম্বাবুয়ে দল এর জবাবে ১৫৫ রানে গুটিয়ে যায় ও ২৪৪ রানে পরাজিত হয়। স্মর্তব্য যে, জিম্বাবুয়ের সংগৃহীত রান তাঁর সংগ্রহের চেয়েও ৫৫ রান কম ছিল।

সিরিজের চূড়ান্ত ওডিআইয়ে মাত্র ১৮ ইনিংসে সহস্র রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এরফলে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভিভ রিচার্ডসের ২১ খেলা থেকে সংগৃহীত রানের রেকর্ডটি নিজের করে নেন। পাঁচ খেলা থেকে ৫১৫ রান তুলেন। এরফলে, পাঁচ-খেলা নিয়ে গড়া সিরিজে সালমান বাটের ৪৫১ রান সংগ্রহের রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলেন। অপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ইমাম-উল-হকের ৩৯৫ রান তোলার সুবাদে উভয়ে ৯১০ রান তুলেন।

২০১৮-১৯ মৌসুমে সরফরাজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। ১৬ অক্টোবর, ২০১৮ তারিখে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। মীর হামজা’র সাথে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দূর্দান্ত ব্যাটিং করে অভিষেক পর্বকে স্মরণীয় করে রাখেন। ৯৪ ও ৬৬ রান সংগ্রহ করেছেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, মোহাম্মদ আব্বাসের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে পাকিস্তান দল ৩৭৩ রানে জয় পেয়ে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

একই মৌসুমে সরফরাজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। ৩ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ১ ও ৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ফাফ ডু প্লিসি’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। গহর জামান নাম্নী এক রমণীর সাথে পরিণয়সূত্র স্থাপন করেন।

Similar Posts

  • |

    চার্লস রাইট

    ২৭ মে, ১৮৬৩ তারিখে ইয়র্কশায়ারের হেয়ারউড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণ কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। হেয়ারউডে জন্মগ্রহণ করলেও শিশুকালে পিতা-মাতার সাথে ওলেটন এলাকায় চলে যান। চার্টারহাউজে অধ্যয়ন করেন। এখানেই তাঁর মাঝে ব্যাটসম্যান ও উইকেট-রক্ষক – উভয় বিভাগেই প্রতিশ্রুতিশীলতা লক্ষ্য করা যায়। ১৮৭৯ থেকে ১৮৮১…

  • |

    ইয়ান সিনক্লেয়ার

    ১ জুন, ১৯৩৩ তারিখে ক্যান্টারবারির র‍্যাঙ্গিওরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ডানহাতি অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৫৩-৫৪ মৌসুম থেকে ১৯৫৬-৫৭ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিন মৌসুম জুড়ে মাত্র ১৫টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ…

  • | |

    আলফ্রেড ডিপার

    ৯ নভেম্বর, ১৮৮৫ তারিখে গ্লুচেস্টারশায়ারের অ্যাপার্লি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্লুচেস্টারশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯০৮ থেকে ১৯৩২ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন…

  • | | |

    গ্রাহাম ডাউলিং

    ৪ মার্চ, ১৯৩৭ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটের অনেক তারকা ক্রিকেটারের অন্যতম হিসেবে কোনরূপ ব্যতিক্রম ছাড়াই নিজের সেরা খেলা উপহারে সচেষ্ট ছিলেন। ১৯৬০-এর দশকে পুরোটা সময় জুড়েই দেশের পক্ষে ইনিংসে উদ্বোধনে…

  • | |

    হরবিন্দর সিং

    ২৩ ডিসেম্বর, ১৯৭৭ তারিখে পাঞ্জাবের অমৃতসরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কিশোর বয়সে অত্যন্ত প্রতিভাবান মিডিয়াম পেসার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৬ সালে কানপুরে…

  • | | |

    অতুল বাসন

    ২৩ মার্চ, ১৯৬৮ তারিখে দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী। ঘরোয়া আসরের ক্রিকেটে বেশ সাড়া জাগান। কঠোর পরিশ্রমী মিডিয়াম-পেস বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। রজার বিনি ও মদন লালের…