২ মে, ১৯৮৬ তারিখে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের আফগান সীমান্তবর্তী শহর সোয়াবিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাট নিয়েও সফলতার স্বাক্ষর রাখছেন। পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
কৃষক পরিবারের সন্তান। শেন ওয়ার্নকে নিজের পছন্দের তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। ২০০১-০২ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানি ক্রিকেটে অ্যাবোটাবাদ, বালুচিস্তান, ফয়সালাবাদ, খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রভিন্স, নর্থ ওয়েস্ট ফ্রন্টিয়ার প্রভিন্স-বালুচিস্তান, পাকিস্তান কাস্টমস, নর্থ ওয়েস্ট ফ্রন্টিয়ার প্রভিন্স ও সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইন্স লিমিটেড, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে টাইটান্স এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্টের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, অ্যাবোটাবাদ রাইনোস, ব্রিসবেন হিট, ঢাকা ডায়নামাইটস, খাইবার-পাখতুনখোয়া ফাইটার্স, খাইবার-পাখতুনখোয়া প্যান্থার্স, লাহোর কালান্দার্স, মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব, পেশাওয়ার জালমি ও ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের পক্ষে খেলেছেন।
১৫ বছর বয়সে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। অনূর্ধ্ব-১৫ স্তরের ক্রিকেট থেকে শুরু করে অনূর্ধ্ব-২১ স্তরের ক্রিকেটে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এরপর থেকে নিজেকে উত্তরোত্তর সফলতার দিকে নিয়ে যেতে থাকেন। এছাড়াও, পাকিস্তান ‘এ’ দল ও অন্যান্য ঘরোয়া দলে খেলেছেন।
২০১১ সাল থেকে পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটার নয় বছর পর জাতীয় দলের পক্ষে খেলার সুযোগ ঘটে। সাম্প্রতিক ফলাফলের প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান দলের সদস্যরূপে মনোনীত করা হয়। এরপূর্বে, ২০১১ সালে তিনটি-ওডিআই নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১১ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় ২/৫১ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন।
২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুণরায় ফিরে আসেন। এ পর্যায়ে সাঈদ আজমলের সন্দেহজনক বোলিং ভঙ্গীমায় নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়লে নিজের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পান। ২০১৪-১৫ মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। দুবাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নেয়ার সুযোগ পান। ২২ অক্টোবর, ২০১৪ তারিখে দুবাইয়ের ডিএসসিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। ইমরান খানের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি সাত উইকেট দখল করেন। ৩/৬৬ ও ৪/৫০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, ইউনুস খানের জোড়া শতকের কল্যাণে পাকিস্তান দল ২২১ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ জুলফিকার বাবরের সঠিক সহযোদ্ধা হন; কখনোবা তাঁর চেয়েও ভালো খেলা উপহার দিয়ে মৌসুমের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেন। অক্টোবর, ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচটি টেস্ট খেলেন। একবার পাঁচ-উইকেট ও দুইবার চার-উইকেট দখল করেছিলেন। ঐ মৌসুমে অংশগ্রহণকৃত পাঁচ টেস্ট থেকে ২৭ উইকেট দখল করেন। তন্মধ্যে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ-উইকেট লাভের কৃতিত্ব দেখান।
ইতোঃপূর্বে ওডিআইয়ে অংশ না নিলেও দল নির্বাচকমণ্ডলী তাঁর উপর আস্থা রেখে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত করে। ঐ প্রতিযোগিতায় দলের পক্ষে তেমন কোন প্রভাব ফেলতে পারেননি। একটি খেলায় অংশ নেয়ার সুযোগ পান। অ্যাডিলেডে ভারতে বিপক্ষে আট ওভারে ৬০ রান খরচ করে ফেলেন।
২০১৫-১৬ মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। পুরো সিরিজে অপূর্ব ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রেখেছিলেন। ১ নভেম্বর, ২০১৫ তারিখে শারজায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ৭ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৯৯ ও ৪/৪৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, মোহাম্মদ হাফিজের ব্যাটিং দৃঢ়তায় পাকিস্তান দল ১২৭ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। এ সিরিজে ২৭ রান সংগ্রহসহ ১৫ উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।
২০১৬ সালের গ্রীষ্মকালে পাকিস্তানের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমনের সুযোগ পান। দূরন্ত ছন্দে অবস্থান করেছিলেন। লর্ডসে অনুষ্ঠিত টেস্টে ১৪১ রান খরচায় দশ উইকেট লাভ করে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দলকে ৭৫ রানে জয় এনে দেন। প্রথম ইনিংসে জো রুটকে বিদেয় করে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং আক্রমণ রুখে দেন। পরবর্তীতে মাঝারিসারিতে ভাঙ্গন সৃষ্টি করে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়ে লর্ডস অনার্স বোর্ডে নিজের অন্তর্ভুক্তি ঘটান।
দ্বিতীয় ইনিংসেও একই ধারা অব্যাহত রাখেন। তাঁর স্পিন কৌশল মোকাবেলা ইংরেজ ব্যাটসম্যানদেরকে বেশ হিমশিম খেতে দেখা যায়। এ পর্যায়ে আরও চার উইকেট নিয়ে খেলায় ১৪১ রান খরচায় দশ উইকেট লাভের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মনোযোগ আকর্ষণসহ প্রতিপক্ষীয় অল-রাউন্ডার বেন স্টোকস খেলা শেষে মন্তব্য করেন যে, শেন ওয়ার্নের পর তিনি সেরা লেগ-স্পিনার।
২০১৬-১৭ মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। ৩০ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখে শারজায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ১২ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ১/৮০ ও ৩/৪০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ক্রেগ ব্রাদওয়েটের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ৫ উইকেটে জয়লাভ করলেও পাকিস্তান দল তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয়। এ সিরিজে ৩৭ রান সংগ্রহসহ ২১ উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।
একই মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ১৭ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০/১৬ ও ০/৪৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৪* ও ৬* রান সংগ্রহ করেছিলেন। কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
২০১৭ সালে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমন করেন। পুরো সিরিজে অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। ২১ এপ্রিল, ২০১৭ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। ২/৯১ ও ৬/৬৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়ে ৮ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। তাঁর দূরন্ত বোলিংশৈলীর কল্যাণে খেলায় তাঁর দল ৭ উইকেটে জয় পায় ও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। তিনি প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।
এরপর, ১০ মে, ২০১৭ তারিখে রোজিওতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। একই খেলায় মিসবাহ-উল-হক ও ইউনুস খানের বিদায়ী খেলা ছিল। ০ ও ৩৮* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ৩/১২৬ ও ৫/৯২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঐ টেস্টে রোস্টন চেজের অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন স্বত্ত্বেও শেষ মুহূর্তে পাকিস্তান দল ১০১ রানে বিজয়ী হয়েছিল ও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। ঐ সিরিজে ৭০ রান ও ২৫ উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পান।
২০১৭-১৮ মৌসুমে সরফরাজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সালে সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। যৌথভাবে দ্বিতীয় দ্রুততম বোলার হিসেবে ১৫০ উইকেট লাভের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। এ মাইলফলক স্পর্শে তাঁকে ২৭ টেস্টে অংশ নিতে হয়েছিল।
এরপর, একই সফরের ৬ অক্টোবর, ২০১৭ তারিখে দুবাইয়ে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। বল হাতে নিয়ে ৬/১৮৪ ও ২/৪৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ২৪ ও ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, ডিমুথ করুণারত্নে’র দূর্দান্ত ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে তাঁর দল ৬৮ রানে পরাজিত হয় ও ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
এরপর থেকে পাকিস্তানের টেস্ট বোলিং আক্রমণে প্রধান পরিচালনা শক্তিতে পরিণত হন। অন্যদিকে, সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে কয়েকজন বোলারকে যুক্ত করতে থাকে। এমনকি ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতার শিরোপা বিজয়ী পাকিস্তান দলে রাখেনি।
২০১৮-১৯ মৌসুমে সরফরাজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার উদ্দেশ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। পুরো সিরিজে অপূর্ব ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। ১৬ নভেম্বর, ২০১৮ তারিখে আবুধাবিতে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে টিএ বোল্টকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৪/৫১। এ পর্যায়ে টেস্টে প্রথমবারের মতো পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। বল হাতে নিয়ে ২/৩৮ ও ৫/৪৫ পান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এজাজ প্যাটেলের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে পাকিস্তান দল ৪ রানে নাটকীয়ভাবে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ৩/৭৫ ও ৪/১২৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে প্রতিপক্ষীয় দলনায়ক কেন উইলিয়ামসনের অসামান্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ১২৩ রানের ব্যবধানে কিউইরা বিজয়ী হয় ও ২-১ ব্যবধানে রাবার জয় করে নেয়। এ সিরিজে ২৯ উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পান।
২০২২ সালে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ২৪ জুলাই, ২০২২ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ৩/৮৩ ও ১/৮০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ২৬ ও ২৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২৪৬ রানে জয় পেলেও সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।
