৪ অক্টোবর, ১৯৯৩ তারিখে হারারেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন।
বামহাতি স্পিনার। জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহোদর হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও শিঙ্গিরাই মাসাকাদজা’র সর্বকনিষ্ঠ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে দূর্বল খেলা প্রদর্শনের কারণে জিম্বাবুয়ে দল থেকে বাদ পড়েন।
২০১৩-১৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলস ও মাউন্টেনিয়ার্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, টাকাশিঙ্গা প্যাট্রিয়টস ওয়ানের পক্ষে খেলেছেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত মাতাবেলেল্যান্ড তুস্কার্স বনাম মাউন্টেনিয়ার্সের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০১৫ সাল থেকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ৯ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সফররত আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন।
হারারেতে অনুষ্ঠিত সফরকারী বাংলাদেশের বিপক্ষে বল হাতে নিয়ে ২/৪৫ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ার পাশাপাশি সুন্দর খেলা প্রদর্শনে সচেষ্ট ছিলেন। ২২০ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় নেমে ১৭১/৭ থাকা অবস্থায় সিকান্দার রাজা’র সাথে অষ্টম উইকেট জুটিতে ৩৮ রান তুলে তিন-খেলা নিয়ে গঠিত সিরিজে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে যান।
২০১৮-১৯ মৌসুমে দলের সাথে বাংলাদেশ গমন করেন। ৩ নভেম্বর, ২০১৮ তারিখে সিলেটে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্রেন্ডন মাভুতা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৪ ও ১৭ রান তুলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। বল হাতে নিয়ে ০/২১ ও ২/৩৩ লাভ করে দলের ১৫১ রানের বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। এরফলে, ১৭ বছরের মধ্যে প্রথম বিদেশের মাটিতে জয়লাভ করতে সমর্থ হয় ও দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। ঐ খেলায় তাঁর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা হ্যামিল্টন মাসাকাদজা দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
২০২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে ক্রেগ ব্রাদওয়েটের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ঐ টেস্টে গুদাকেশ মোতি’র অসামান্য বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৪ রানের ব্যবধানে জয় পায়। এছাড়াও, দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে। ব্যাট হাতে নিয়ে ১ ও ৭ রান তুলেন। ১/৫৮ বোলিং বিশ্লেষণের পাশাপাশি একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন।
২০২৫ সালে নিজ দেশে কেশব মহারাজের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২৮ জুন, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/১০৯ ও ৪/৯৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৪ ও ৫৭ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। লুয়ান-ড্রি প্রিটোরিয়াসের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৩২৮ রানে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর, ৬ জুলাই, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩ ও ১৭ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/১৮৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক উইয়ান মুল্ডারের অসাধারণ ত্রি-শতকের কল্যাণে সফরকারীরা খুব সহজেই ইনিংস ও ৩২৮ রানে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে বিজয়ী হয়।
