১২ অক্টোবর, ১৯৮৬ তারিখে বার্বাডোসের বস্কোবেল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট কিংবা লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। ২০০০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
‘র্যামো’ ডাকনামে ভূষিত উমর ফিলিপস কোলারিজ এন্ড পারি স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। পরবর্তীতে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ কেভ হিল ক্যাম্পাস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেন। ২০০৭-০৮ মৌসুম থেকে ২০১৬-১৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস এবং কম্বাইন্ড ক্যাম্পাসেস ও কলেজেসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রথম মৌসুমে কম্বাইন্ড ক্যাম্পাসেস ও কলেজেসের পক্ষে একটিমাত্র খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ২৮ মার্চ, ২০০৮ তারিখে চার্লসটাউনে অনুষ্ঠিত লিওয়ার্ড আইল্যান্ডস বনাম কম্বাইন্ড ক্যাম্পাসেস ও কলেজেসের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। তবে, পরবর্তী মৌসুমে দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন। ৬০১ রান তুলে দলটির দ্বিতীয় সর্বাধিক রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। তন্মধ্যে, নেভিসে অনুষ্ঠিত লিওয়ার্ড আইল্যান্ডসের বিপক্ষে ২০৪ রানের মনোমুগ্ধকর শতক হাঁকান। এটিই তাঁর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথম শতরানের ইনিংস ছিল।
২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশ নিয়েছেন। সবগুলো টেস্টই সফরকারী বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে খেলেন। চুক্তির প্রশ্নে জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতিতে বোর্ডের সাথে শীর্ষ খেলোয়াড়দের মতবিরোধের জের ধরে টেস্ট দলে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০০৯ সালে নিজ দেশে মাশরাফি মর্তুজা’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ৯ জুলাই, ২০০৯ তারিখে কিংসটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। চাদউইক ওয়ালটন, ডেল রিচার্ডস, কেমার রোচ, নিকিতা মিলার, রায়ান অস্টিন ও ট্রাভিস ডাউলিনের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলার তৃতীয় দিনে ৯৪ রান তুলেন। এরপর, পঞ্চম দিনে ১৪ রান তুলে বিদেয় নেন। তামিম ইকবালের অসাধারণ ব্যাটিং কৃতিত্বে স্বাগতিকরা ৯৫ রানে পরাজয়বরণ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ১৭ জুলাই, ২০০৯ তারিখে গ্রেনাডার সেন্ট জর্জেসে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ২৩ ও ২৯ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে সাকিব আল হাসানের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা সাকিব আল হাসানের অনবদ্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৪ উইকেটে পরাভূত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
