১ জুন, ১৯৯৩ তারিখে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। ভারতের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিচ্ছেন।
২০১৫-১৬ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে মধ্যপ্রদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, মধ্যপ্রদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ও মধ্যপ্রদেশ অনূর্ধ্ব-২২ দলের পক্ষে খেলেছেন। ৩০ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে বরোদরায় বরোদরার বিপক্ষে খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০২১ সালে আইপিএলের আসরকে ঘিরে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। তবে, ঐ মৌসুমে তিনি মাত্র চারটি খেলায় অংশ নেয়ার সুযোগ পান। এরপর তাঁকে অবমুক্তি দেয়া হয়। ২০২২ সালে পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে তাঁকে দলে ঠাঁই দেয়া হয়। ১৫২.৭৫ স্ট্রাইক রেটে ৩৩৩ রান সংগ্রহ করে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। এ মৌসুমে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল – লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে ৫৪ বল থেকে ১১২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। তবে, ২০২৩ সালের আসরে গোঁড়ালির আঘাতের কারণে খেলতে পারেননি।
২০২৪ সাল থেকে ভারতের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০২৩-২৪ মৌসুমে নিজ দেশে বেন স্টোকসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে বিশাখাপত্তনমে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ব্যাট হাতে নিয়ে ৩২ ও ৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, জসপ্রীত বুমরা’র অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে ঐ টেস্টে তাঁর দল ১০৬ রানের ব্যবধানে জয়লাভ করে ও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফেরে।
একই সফরের ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে রাঁচিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে ১৭ ও ০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। উভয় ইনিংসেই তিনি শোয়েব বশীরের বলে বিদেয় নিয়েছিলেন। তবে, ধ্রুব জুরেলের অসামান্য ব্যাটিংয়ের কল্যাণে ঐ টেস্টে তাঁর দল ৫ উইকেটের ব্যবধানে জয়লাভ করলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
সবমিলিয়ে পাঁচ টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের তিনটিতে অংশ নিয়ে ১০.৫০ গড়ে মাত্র ৬৩ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন।
