২৭ নভেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে কালুবোবিলা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করে থাকেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন।
৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী লাহিরু উদারা নুগেগোডাভিত্তিক সেন্ট জোন্স কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ২০১৩-১৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব ও নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, ডাম্বুলা সিক্সার্স, কলম্বো কিংস, গল গ্ল্যাডিয়েটর্স, শ্রীলঙ্কা ‘এ’ ও শ্রীলঙ্কা এমার্জিং টিমের পক্ষে খেলেছেন। ১৭ জানুয়ারি, ২০১৪ তারিখে কলম্বোর এনসিসিতে অনুষ্ঠিত নন্দেস্ক্রিপ্টস বনাম কলম্বো সিসি’র মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০২৩ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে টেস্ট ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১৫ জুন, ২০২৫ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টকে ঘিরে ছয়জন টেস্ট প্রত্যাশী খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে তাঁকে রাখা হয়। তন্মধ্যে, ৩১ বছর বয়সী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান লাহিরু উদারা ও স্পিন বোলিং অল-রাউন্ডার সোনাল দিনুশাকে অস্ট্রেলিয়া সফরে রাখা হয়েছিল। গত চার বছরে ঘরোয়া ক্রিকেটে দূর্দান্ত খেলে দলের অমূল্য রত্নে পরিণত হন। ৯৭টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিলেও টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। সাম্প্রতিক সময়ে দূর্দান্ত ছন্দে আরোহণ করেন। শেষ পাঁচ ইনিংসের মধ্যে ১৪২ ও ৬৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন।
২০২৫ সালে নিজ দেশে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ১৭ জুন, ২০২৫ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। প্রসঙ্গতঃ এটিই অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের সর্বশেষ টেস্ট ছিল। থারিন্ডু রত্নায়েকে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ২৯ ও ৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় অধিনায়কের মনোমুগ্ধকর জোড়া শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। অবশ্য টেস্টে অংশগ্রহণের পূর্বেই ৪ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে হংজুতে অনুষ্ঠিত আফগানিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কার মধ্যকার টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জগতে প্রবেশ করেন।
এরপর, ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৪০ রান সংগ্রহ করেন। তবে, পথুম নিসাঙ্কা’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৭৮ রানে পরাভূত হলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
