|

কোশলা কুলাসেকারা

১৫ জুলাই, ১৯৮৫ তারিখে মাভানলে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। ২০১০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

দীর্ঘ ৬ ফুট ১ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। অল-রাউন্ডার হিসেবে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিতভাবে অংশ নিচ্ছেন। ২০০২-০৩ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে গল ক্রিকেট ক্লাব, নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব ও রুহুনা’র প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রিমিয়ার প্রতিযোগিতায় নন্দেস্ক্রিপ্টস ও আন্তঃপ্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় রুহুনা’র পক্ষাবলম্বন করছেন। খেলার ধরন অনেকাংশেই একদিনের ও টি২০ ক্রিকেটের উপযোগী। ঘরোয়া ক্রিকেটেও একই ধারায় সফলতা লাভ করছেন।

২০১০ সালে আন্তঃপ্রাদেশিক টি২০ খেলায় বাসনাহিরা নর্থের বিপক্ষে ঝড়োগতিতে ১৫ বলে ৪৩ রান সংগ্রহ করেন। এরপর, ৪/২৬ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে নিশ্চিত পরাজয় থেকে দলকে জয়ের মুখ দেখান।

কৈশোরে সাঁতারু ছিলেন। সর্ব-দ্বীপ সাঁতার প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান দখল করেছিলেন। ক্রিকেটকে নিজের পছন্দের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রেখেছিলেন। ক্যান্ডিভিত্তিক বিদ্যার্থ কলেজে অধ্যয়নকালে ক্রিকেট খেলা শিখতে শুরু করেন। খুবই উচ্চমানের ও উদীয়মান প্রতিশ্রুতিশীলতার স্বাক্ষর রাখেন। সেন্ট্রাল প্রভিন্স অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। এক পর্যায়ে ২০০৪ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। স্বীয় যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে দুইবার ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

এনসিসিতে যোগদানের পর সাবেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার রমেশ কালুবিতরানাচণ্ডীকা হাথুরুসিংহা’র সহায়তায় ব্যাটিং কৌশল আরও রপ্ত করেন। ২০০৫ সালে উপুল থারাঙ্গা’র সাথে একত্রে ক্রিকেটে বৃত্তি নিয়ে ইংল্যান্ড গমন করেন। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট একাডেমির অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ইংল্যান্ড একাডেমি ও দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে দলকে নেতৃত্ব দেন।

২০১১ থেকে ২০১২ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও চারটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১১-১২ মৌসুমে তিলকরত্নে দিলশানের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। ৩ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে শারজায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১৫ ও ৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৬৫ ও ০/১৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কুমার সাঙ্গাকারা’র অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীতে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয় পাকিস্তান দল। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

একই সফরের ১১ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে দুবাইয়ের ডিএসসিতে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন।

সম্পৃক্ত পোস্ট