|

কিথুরুয়ান ভিথানাগে

২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করে থাকেন। বামহাতি ব্যাটসম্যান ও লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। ২০১০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

কলম্বোভিত্তিক রয়্যাল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর অধিকারী বামহাতি মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান। ২০১০-১১ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে বাসনাহিরা, সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাব এবং তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের পক্ষাবলম্বন করেন।

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০১০ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় শ্রীলঙ্কা দলের সহঃঅধিনায়কের মর্যাদাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। এরপূর্বে, ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হয়েছিলেন।

২০১৩ থেকে ২০১৬ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সর্বমোট ১০ টেস্ট, ছয়টিমাত্র ওডিআই ও তিনটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছে। ২০১২-১৩ মৌসুমে নিজ দেশে মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ৮ মার্চ, ২০১৩ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এর এক সপ্তাহ পূর্বে প্রস্তুতিমূলক খেলায় বল প্রতি ১৬৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। গলের নিস্প্রাণ পিচে নিজস্ব প্রথম টেস্টে তেমন দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারেননি। তবে, পঞ্চম দিনে ক্রিজে নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হন। ৭০ বলে প্রাণবন্তঃ ৫৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। তাঁর ইনিংসে সাতটি চার ও একটি ছক্কার মার ছিল। এভাবে তাঁর ন্যায় তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণের স্বার্থকতা তুলে ধরেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় অধিনায়কের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

২০১৪ সালে নিজ দেশে হাশিম আমলা’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২৪ জুলাই, ২০১৪ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ১৩ ও ৭ রানের ইনিংস খেলে উভয় ইনিংসে মর্নে মরকেলের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৭ ও ০/১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। তবে, মাহেলা জয়াবর্ধনে’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

২০১৫-১৬ মৌসুমে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। ০ ও ৯ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ মুঠোয় পুড়েন। তবে, কেন উইলিয়ামসনের অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। ৭ জুলাই, ২০১৬ তারিখে এক বছরের জন্যে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন।

সম্পৃক্ত পোস্ট