|

গ্র্যান্ট এলিয়ট

২১ মার্চ, ১৯৭৯ তারিখে ট্রান্সভালের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

সেন্ট স্টিদিয়ান্সে অধ্যয়ন করেছেন। ‘শান্ট’, ‘ম্যাজিক’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। এছাড়াও, ঘন চুলের কারণে ‘হেইরি জ্যাভলিন’ নাম পান।

১৯৯৬-৯৭ মৌসুম থেকে ২০১৩-১৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওয়েলিংটন, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গটেং ও গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্ট এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে লিচেস্টারশায়ার ও সারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, চিটাগং ভাইকিংস, লাহোর কালান্দার্স ও সেন্ট লুসিয়া জুকসের পক্ষে খেলেছেন।

২০০৫-০৬ মৌসুমে স্টেট চ্যাম্পিয়নশীপে স্টেট ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডসের সদস্যরূপে স্টেট ক্যান্টারবারি উইজার্ডসের বিপক্ষে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ২০০৭-০৮ মৌসুমে ব্যক্তিগত সেরা ইনিংস খেলেন। স্টেট অকল্যান্ড এইসেসের বিপক্ষে ১৯৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। একই মৌসুমে স্টেট শীল্ডের খেলায় স্টেট ওতাগো ভোল্টসের বিপক্ষে ৫/৩৪ বোলিং করেন। এ মৌসুমে স্টেট শীল্ডে ৬৪.৪০ গড়ে ৩২৩ রান ও স্টেট চ্যাম্পিয়নশীপে ৪৩.৯১ গড়ে ৫২৭ রান তুলেন। এছাড়াও, উভয় প্রতিযোগিতায় যথাক্রমে ১৫ ও ৯ উইকেট দখল করেছিলেরন তিনি। এর স্বীকৃতিস্বরূপ বর্ষসেরা স্টেট ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডস খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন। এ ধরনের ক্রীড়াশৈলী উপেক্ষিত হয়নি ও দল নির্বাচকমণ্ডলীর সুনজরে পড়েন।

২০০৮ থেকে ২০১৭ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে পাঁচটিমাত্র টেস্ট, ৮৩টি ওডিআই ও ১৭টি টি২০আইয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ২০০৭-০৮ মৌসুমে নিজ দেশে মাইকেল ভনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের বিপক্ষে খেলার জন্যে ওডিআই ও টেস্ট দলে ঠাঁই পান। ২২ মার্চ, ২০০৮ তারিখে নেপিয়ারে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। টিম সাউদি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১/২৭ ও ০/৫৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ৬ ও ৪ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, রায়ান সাইডবটমের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১২১ রানে পরাজিত হলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০০৮ সালের শেষদিকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হন।

২০০৯-১০ মৌসুমে নিজ দেশে মোহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ৩ ডিসেম্বর, ২০০৯ তারিখে ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ২০ ও ৬ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৮ লাভ করেন। তবে, মোহাম্মদ আসিফের অনবদ্য বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১৪১ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট