|

গ্লেন ব্রক-জ্যাকসন

২৫ এপ্রিল, ১৯৬৯ তারিখে সলসবারিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং শৈলী প্রদর্শন করেতন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৮৭-৮৮ মৌসুম থেকে ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন সরব রেখেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড ও ম্যাশোনাল্যান্ড কান্ট্রি ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৮৮ সালে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এরপর, ১৯৮০-এর দশকের শেষদিকে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিলেও বেশ নিষ্প্রভ ছিল। তবে, ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের অনেকেই সন্দেহ পোষণ করেছিলেন যে হয়তোবা কখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না।

১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে আলেকজান্দ্রা স্পোর্টস ক্লাব থেকে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে চলে যান। খেলোয়াড়ী জীবনের পুণরুজ্জ্বীবন ঘটান। সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। অরেঞ্জ ফ্রি স্টেট ‘বি’ দলের বিপক্ষে উপর্যুপরী শতক হাঁকান। এরফলে, পাকিস্তান গমনার্থে জিম্বাবুয়ে দলের সদস্যরূপে মনোনীত হন। মূলতঃ ব্যাটিংয়ের দিকেই অধিক মনোনিবেশ ঘটাতেন।

১৯৯৩ সালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও একটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো আন্তর্জাতিকই পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ে দলের সাথে পাকিস্তান গমন করেন। ১ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। গাই হুইটল, হিথ স্ট্রিক, জন রেনি, মার্ক ডেকারস্টিফেন পিয়লের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৩১ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১৩১ রানে তাঁর দল পরাজিত হয়।

একই সফরের ৯ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ০ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, ওয়াকার ইউনুসের অসামান্য বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৫২ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

অংশগ্রহণকৃত উভয় টেস্টই সিরিজের শুরুতে মাঝারিসারিতে খেলেন। এরপর, ঐ সফরের শেষদিকে ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে লাহোরে একমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। তবে, খেলায় ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি। এক পর্যায়ে ক্রিকেট খেলা থেকে তাঁকে দূরে সরে চলে যেতে হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট