২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে সলসবারিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ছোটখাটো গড়নের অধিকারী। দীর্ঘ সময় ধরে নিখুঁতমানের ও মিতব্যয়ী অফ-স্পিন বোলিং করে সুনাম কুড়িয়েছিলেন। বলকে বেশ বাঁক খাওয়াতে পারতেন। তবে, জন ট্রাইকোসের সাথে তাঁকে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অগ্রসর হতে হতো। ফলে, আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ী জীবন স্তিমিত হয়ে পড়ে।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড ও ম্যাশোনাল্যান্ড কান্ট্রি ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে সহজে কাউকে ছাড় দিতেন না। নিজের স্বর্ণালী সময়ে বলকে সুনিয়ন্ত্রিত পন্থায় ক্রমাগত নিশানা বরাবর ফেলতেন ও ব্যাটসম্যানের ভুলের অপেক্ষায় প্রহর গুণতেন। তেমন রান সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে, দলে প্রভাব ফেলতে পারেননি। এরফলে, তাঁর টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবনেও বিরূপ প্রভাব ফেলে ও সীমিত পর্যায়ে অংশ নেয়ার সুযোগ পান। টেস্টের তুলনায় ওডিআইয়ে অধিক খেলার সুযোগ পেয়েছেন। তিন বছর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। এছাড়াও, ফিল্ডিংয়েও বেশ দূর্বলমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন।
১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে চারটিমাত্র টেস্ট ও ২১টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে সফরকারী নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হন। ৩১ অক্টোবর, ১৯৯২ তারিখে দলটির বিপক্ষে ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে। তবে, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে ভারত সফর করা থেকে বঞ্চিত হন।
১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ে দলের সাথে পাকিস্তান গমন করেন। ১ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। গাই হুইটল, গ্লেন ব্রুক-জ্যাকসন, হিথ স্ট্রিক, জন রেনি ও মার্ক ডেকারের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ টেস্টে ব্যক্তিগত সেরা ২/৮৯ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। একটি ক্যাচ তালুবন্দী করলেও উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। ১৩১ রানে তাঁর দল পরাজিত হয়।
১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে নিজ দেশে অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ২০ অক্টোবর, ১৯৯৪ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে ৩০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৩৫ ও ১/৪৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
