৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ তারিখে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার মিডল্যান্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে খেলতেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
‘রু’ ডাকনামে পরিচিত ছিলেন। মিডল্যান্ড-গিল্ডফোর্ডের সাথে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলার হিসেবে খেলতে শুরু করেন। ১৯৬৬-৬৭ মৌসুম থেকে ১৯৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া দলের বিশ্বস্ত খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি পান। রাজ্য দলে ফাস্ট বোলারদের প্রাচুর্য্যতার কারণে বেশ হিমশিম খান। ১৯৭১ সালে নাটকীয়ভাবে খেলোয়াড়ী জীবনের মোড় ঘুরাতে সচেষ্ট হন। চাতুর্য্যতার সাথে ধীরলয়ের বল স্পিন ও বাউন্স সহযোগে ফেলতেন। এরফলে, ক্লাব ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানদের কাছে সমীহের পাত্রে পরিণত হন।
১৯৭৩ সাল থেকে স্পিন বোলার হিসেবে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে খেলার সুযোগ পান। তাৎক্ষণিকভাবে সফলতা না পেলেও নিজেকে সংযত রেখে সফলতার দিকে নিয়ে যেতে থাকেন। তর্জনীর তুলনায় মধ্যমার প্রয়োগ ঘটান। উইকেট-রক্ষক রড মার্শের সহায়তা নিয়ে জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পান ও নিজেকে সম্মুখসারির স্পিনারে রূপান্তরিত করেন।
১৯৭৮ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ৩৩ টেস্ট ও সাতটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। অস্ট্রেলীয় ধনকুবের ক্যারি প্যাকারের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটে চলাকালীন সৃষ্ট শূন্যতা পূরণে অনেকের ন্যায় তাঁকেও অস্ট্রেলিয়া দলে যুক্ত করা হয়। অতঃপর, ৩০ বছর বয়সে টেস্ট খেলার সুযোগ পান।
১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে নিজ দেশে বিষেন বেদী’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৮ জানুয়ারি, ১৯৭৮ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। গ্রায়েম উড, ইয়ান কলেন ও রিক ডার্লিংয়ের সাথে একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ২২ ও ২৬ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে কর্ষণ ঘাবরী’র শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৬২ ও ৪/১৩৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ৪৭ রানে বিজয়ী হলে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
একই মৌসুমে বব সিম্পসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১৭ মার্চ, ১৯৭৮ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৭৪ ও ৪৩ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১২ ও ০/৫৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে নিজ দেশে মাইক ব্রিয়ার্লি’র নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২৮ ও ০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২৫ ও ০/৬০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইয়ান বোথামের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২০৫ রানে পরাভূত হলে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের ষষ্ঠ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৭ ও ৬১* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/১০৫ ও ০/২১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, দলীয় অধিনায়ক গ্রাহাম ইয়ালপের অসাধারণ ব্যাটিং সত্ত্বেও স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে ৫-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
১৯৭৯-৮০ মৌসুমে কিম হিউজের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ তারিখে ব্যাঙ্গালোরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪/১০৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
অস্ট্রেলিয়ার দ্রুততম অর্ধ-শতক হাঁকানোর সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখেন। এসসিজিতে আট নম্বর অবস্থানে থেকে প্রবল শক্তিধর ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস আক্রমণ মোকাবেলা করে ২৯ বলে এ সাফল্য পান। পরবর্তীতে, ৩৮ বছর পর ডেভিড ওয়ার্নার রেকর্ডটিকে নিজের করে নেন।
১৯৮০-৮১ মৌসুমে নিজ দেশে সুনীল গাভাস্কারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ০ ও ৭ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৪৫ ও ২/৬৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। গুণ্ডাপ্পা বিশ্বনাথের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে সফরকারীরা ৫৯ রানে জয় পেলে ১-১ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করতে সমর্থ হয়।
১৯৮১-৮২ মৌসুমে নিজ দেশে জাভেদ মিয়াঁদাদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১৩ নভেম্বর, ১৯৮১ তারিখে পার্থের ওয়াকায় অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৯ ও ২২ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৬/৮৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, টেরি অল্ডারম্যানের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ২৮৬ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
১৯৮১-৮২ মৌসুমে নিজের স্বর্ণালী সময়ে অবস্থান করেন। বর্ষসেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। এ মৌসুমে নিজ দেশে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২ জানুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৩/৮৭ ও ৭/৯৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখলেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
এরপর, ৩০ জানুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৫/১৩২ ও ০/৬৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৮ ও ৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। অ্যালান বর্ডারের অসাধারণ ব্যাটিং দাপট সত্ত্বেও সফরকারীরা ৫ উইকেটে জয় পেলে সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ করতে সক্ষমতা দেখায়।
একই মৌসুমে গ্রেগ চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ৩/৪৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলাটিতে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও পঞ্চম দিন খেলাটি মাঠে গড়ায়। তন্মধ্যে, কেবলমাত্র পঞ্চম দিন পুরোটা সময় খেলা সম্ভব হয়। তিনি ব্যাটিং করার সুযোগ পাননি। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
১৯৮২-৮৩ মৌসুমে কিম হিউজের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে পাকিস্তান গমন করেন। ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। পাশাপাশি, বল হাতে নিয়ে ১/৯৮ ও ০/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। আব্দুল কাদিরের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৯ উইকেটে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই মৌসুমে নিজ দেশে বব উইলিসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ২৬ নভেম্বর, ১৯৮২ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ঘটনাবহুল এ টেস্টে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে কার্ল রেকেম্যান আঘাতের কবলে পড়লে তিনি তাঁর ওভার শেষ করেন। রেকেম্যান তাঁর ত্রয়োদশ ও ইনিংসের ৩৫তম ওভারে বোলিংকালে দুই বল বোলিংয়ের পর নিজের অপরাগতা প্রকাশ করেছিলেন। খেলায় তিনি ২/৫১ ও ০/৫০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৩ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। কেপলার ওয়েসেলসের অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের সুবাদে স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ২ জানুয়ারি, ১৯৮৩ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ২৪ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৪৭ ও ৪/১৩৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কিম হিউজের অসাধারণ শতক সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
একই মৌসুমে গ্রেগ চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ২২ এপ্রিল, ১৯৮৩ তারিখে ক্যান্ডিতে অনু্ষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নামার প্রয়োজন পড়েনি। ৫/৮৮ ও ২/৭৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কেপলার ওয়েসেলসের অসাধারণ শতকের কল্যাণে ঐ খেলায় স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৩৮ রানের ব্যবধানে পরাজয়বরণ করেছিল। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
অংশগ্রহণকৃত টেস্টগুলো থেকে ৩১.২৬ গড়ে ১২৬ উইকেট দখল করেছিলেন। ইনিংসে ছয়বার পাঁচ-উইকেট ও খেলায় একবার দশ উইকেটের সন্ধান পান। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ধারাভাষ্য কর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে কোচিং জগতের দিকেও ধাবিত হন। দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। অতঃপর, ২৭ মার্চ, ২০১৯ তারিখে কুনুনুরা এলাকায় ৭১ বছর ২০৩ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
