৯ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৪ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের আলেকজান্দ্রিয়ায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও লেখক ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ম্যানচেস্টারে জন্মগ্রহণকারী গৃহসঞ্চারক জন উইলিয়াম ওল্ডফিল্ড ও ইয়াসের মেরি দম্পতির সপ্তম সন্তান ছিলেন। নিউ সাউথ ওয়েলসের নিউটাউন পাবলিক স্কুল ও ক্লেভলেন্ড স্ট্রিট সুপারিয়র পাবলিক স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। পরবর্তীতে ট্রামওয়ের কেরাণী ছিলেন। চার্চেস ক্রিকেট ইউনিয়ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর গ্লেবে ব্যাটসম্যান হিসেবে যোগ দেন। ১৯১৪ সালে দুইবার প্রথম স্তরের ক্রিকেট খেলেন। এছাড়াও, ১৯১৫ সালে ক্লাবের সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
১৯১৯-২০ মৌসুম থেকে ১৯৩৭-৩৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। অভিষেক খেলায় শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। পরবর্তী বছরগুলোয় তাঁর ব্যাটিংয়ের উত্তরণ ঘটতে থাকে।
১৯২০ থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ৫৪ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯২০-২১ মৌসুমে নিজ দেশে জনি ডগলাসের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৭ ডিসেম্বর, ১৯২০ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। আর্থার মেইলি, নিপ পেলিও, হার্বি কলিন্স, জ্যাক রাইডার, জ্যাক গ্রিগরি ও জনি টেলরের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৭ ও ১৬ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে সিস পার্কিনের বলে বিদেয় নেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি স্ট্যাম্পিং ও একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। স্বাগতিকরা ৩৭৭ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়ে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
১৯২১ সালে ওয়ারউইক আর্মস্ট্রংয়ের নেতৃত্বে অজি দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১৩ আগস্ট, ১৯২১ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
১৯২৪-২৫ মৌসুমে নিজ দেশে আর্থার জিলিগানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১ জানুয়ারি, ১৯২৫ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩৯* ও ৩৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। ৮১ রানে জয় পেলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
১৯২৬ সালে ওয়ারেন বার্ডসলি’র নেতৃত্বধীন অজি দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১২ জুন, ১৯২৬ তারিখে নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। বৃষ্টিবিঘ্নিত ঐ টেস্টে ০/০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করালেও দলের সকলের ন্যায় তিনিও ব্যাটিং করার সুযোগ পাননি। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
একই সফরের ১০ জুলাই, ১৯২৬ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
এরপর, ২৪ জুলাই, ১৯২৬ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
১৯২৮-২৯ মৌসুমে নিজ দেশে পার্সি চ্যাপম্যানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ৩০ নভেম্বর, ১৯২৮ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২ ও ৫ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে মরিস টেটের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। ৬৭৫ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হলে তাঁর দল পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৯ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ৩২ ও ১৫* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি স্ট্যাম্পিং ও দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হয়েছিলেন। স্বাগতিকরা ১২ রানে পরাভূত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৪-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ৮ মার্চ, ১৯২৯ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ৬ ও ৪৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হয়েছিলেন। স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে জয় পেলেও সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
১৯৩০-৩১ মৌসুমে নিজ দেশে জ্যাকি গ্রান্টের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১২ ডিসেম্বর, ১৯৩০ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে চারটি স্ট্যাম্পিং করেন। ১০ উইকেটে জয়লাভ করলে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩১ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি স্ট্যাম্পিং ও দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। সফরকারীরা ইনিংস ও ১২২ রানে পরাজিত হলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩১ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ৩৬ ও ০ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। স্বাগতিকরা ৩০ রানে পরাজয়বরণ করলেও ৪-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
১৯৩২-৩৩ মৌসুমে নিজ দেশে ডগলাস জার্ডিনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২ ডিসেম্বর, ১৯৩২ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ ও ১ রান সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে হ্যারল্ড লারউডের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। স্বাগতিক দল ১০ উইকেটের ব্যবধানে শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হল পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
১৯৩৪ সালে বিল উডফুলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ইংল্যান্ড সফরে যান। ২০ জুলাই, ১৯৩৪ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে নিয়ে বিল বোজের বলে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি স্ট্যাম্পিংসহ সমসংখ্যক ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
১৯৩৬-৩৭ মৌসুমে নিজ দেশে গাবি অ্যালেনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। এ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া দল ০-২ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও পরবর্তীতে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ জয় করেছিল। ৪ ডিসেম্বর, ১৯৩৬ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৬ ও ১০ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে বিল ভোসের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। পাশাপাশি, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে তিনটি স্ট্যাম্পিং ও সমসংখ্যক ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ৩২২ রানের ব্যবধানে বিশাল পরাজয়ের কবলে পড়ে ও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১ জানুয়ারি, ১৯৩৭ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ২৭* ও ৭ রান সংগ্রহ করেন। ঐ খেলায় তাঁর দল ৩৬৫ রানে জয় পেলেও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ২৯ জানুয়ারি, ১৯৩৭ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। ঐ টেস্টে তিনি ৫ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। খেলায় অস্ট্রেলিয়া দল ১৪৮ রানে জয়লাভ করে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-২ ব্যবধানে সমতা আনে।
একই সফরের ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৭ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ২১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি স্ট্যাম্পিং ও দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। ইনিংস ও ২০০ রানে পরাজয়বরণ করলে সফরকারীরা ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
যখন নিয়মিত উইকেট-রক্ষক খেলায় ফিরে আসতে পারেননি, তখন তিনি এ দায়িত্ব নিয়ে স্থায়ীভাবে নিয়ে নেন। ১৯৪৯ সালে অ্যালান কিপাক্সের সাথে আর্থিক সুবিধে গ্রহণের খেলার জন্যে মনোনীত হন ও ছয় হাজারের অধিক পাউন্ড-স্টার্লিং সংগৃহীত হয়। এরপর, বিদ্যালয়ের ছাত্রদেরকে নিয়ে বেশ কয়েক বিদেশ সফরের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখেন। নিউ সাউথ ওয়েলসের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
৭ সেপ্টেম্বর, ১৯১৫ তারিখে অস্ট্রেলিয়ান ইম্পেরিয়াল ফোর্সে তালিকাভূক্ত হন। ১৫তম ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের সাথে জড়িত ছিলেন। ফ্রান্সে অবস্থানকালীন অল্পের জন্যে পলিগন উডে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যান। নিয়মিত উইকেট-রক্ষক টেড লং আঘাতের কবলে পড়লে এ.আই.এফ ক্রিকেট দলের সদস্যরূপে মনোনীত হন। ১৯১৯ সালে দলটির সাথে ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান।
এমবিই উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯২৭ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। ১৯৩৮ সালে ‘বিহাইন্ড দি উইকেট’ ও ১৯৫৪ সালে ‘দ্য র্যাটল অব দ্য স্ট্যাম্পস’ শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ প্রকাশ করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। তাঁর দুই কন্যা ছিল। ১০ আগস্ট, ১৯৭৬ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের কিলারা এলাকায় নিজ গৃহে ৮১ বছর ৩৩৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। রকউড সিমেট্রি এন্ড ক্রিমেটোরিয়ামে তাঁকে সমাহিত করা হয়। মৃত্যু পরবর্তী সময়ে $২৩৪,৩৬৮ ডলার মূল্যমানের সম্পদ রেখে যান। তাঁর সম্মানার্থে বার্ট ওল্ডফিল্ডস পদকের প্রবর্তন করা হয়।
