৬ নভেম্বর, ১৯৫৬ তারিখে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ইস্ট ফ্রিম্যান্টল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯ বছর বয়সে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ান কোল্টস দলে যুক্ত হন। এ সময়ে তিনি ইস্ট ফ্রিম্যান্টল ফুটবল লীগে অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবল খেলতেন। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সময়কালে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ফুটবল লীগের ১৪ খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৭৬-৭৭ মৌসুম থেকে ১৯৯১-৯২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার সদস্যরূপে সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলতে নামেন। শতবার্ষিকী টেস্টের পূর্বে ওয়াকায় আয়োজিত একমাত্র প্রস্তুতিমূলক খেলায় তিনি ৩৭ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। পরের মৌসুমে অতিথি দল কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম শতরানের ইনিংস খেলেন। চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন।

১৯৭৮ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ৫৯ টেস্ট ও ৮৩টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। অস্ট্রেলীয় ধনকুবের ক্যারি প্যাকারের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব ক্রিকেট সিরিজে অংশ নিতে দলের জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতির সুযোগে তাঁকে অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্যরূপে মনোনীত করা হয়েছিল।

১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে নিজ দেশে বিষেন বেদী’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৮ জানুয়ারি, ১৯৭৮ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্রুস ইয়ার্ডলি, ইয়ান কলেন ও রিক ডার্লিংয়ের সাথে একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৩৯ ও ৮ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ৪৭ রানে বিজয়ী হলে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

একই মৌসুমে বব সিম্পসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১৭ মার্চ, ১৯৭৮ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৬৯ ও ৫৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

এরপর, ৩১ মার্চ, ১৯৭৮ তারিখে জর্জটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৫০ ও ১২৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ৩ উইকেটে জয়লাভ করলেও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ২৮ এপ্রিল, ১৯৭৮ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১৬ ও ৯০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে নিজ দেশে মাইক ব্রিয়ার্লি’র নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩৫ ও ৯ রান সংগ্রহ করেন। ইয়ান বোথামের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২০৫ রানে পরাভূত হলে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের ষষ্ঠ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৫ ও ২৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, দলীয় অধিনায়ক গ্রাহাম ইয়ালপের অসাধারণ ব্যাটিং সত্ত্বেও স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে নিজ দেশে মুশতাক মোহাম্মদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১০ মার্চ, ১৯৭৯ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৫* ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ৭১ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৭৯-৮০ মৌসুমে কিম হিউজের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ তারিখে ব্যাঙ্গালোরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮ ও ৩০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৮০-৮১ মৌসুমে নিজ দেশে জিওফ হাওয়ার্থের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৮ নভেম্বর, ১৯৮০ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ব্যাট হাতে নিয়ে ১১১ ও ৩২* রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

একই মৌসুমে নিজ দেশে সুনীল গাভাস্কারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে ১০ রান করে সংগ্রহ করেছিলেন। গুণ্ডাপ্পা বিশ্বনাথের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে সফরকারীরা ৫৯ রানে জয় পেলে ১-১ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করতে সমর্থ হয়।

১৯৮১ সালে কিম হিউজের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২ জুলাই, ১৯৮১ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ৪৪ ও ৬২* রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ২৭ আগস্ট, ১৯৮১ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের ষষ্ঠ ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৬৬ ও ২১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, ডেনিস লিলি’র আপ্রাণ বোলিং প্রয়াস সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ৩-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

১৯৮১-৮২ মৌসুমে নিজ দেশে জাভেদ মিয়াঁদাদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১৩ নভেম্বর, ১৯৮১ তারিখে পার্থের ওয়াকায় অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩৩ ও ৪৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, টেরি অল্ডারম্যানের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ২৮৬ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৩০ জানুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৫ ও ৬ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। অ্যালান বর্ডারের অসাধারণ ব্যাটিং দাপট সত্ত্বেও সফরকারীরা ৫ উইকেটে জয় পেলে সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ করতে সক্ষমতা দেখায়।

১৯৮১-৮২ মৌসুমে গ্রেগ চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলাটিতে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও পঞ্চম দিন মাঠে গড়ায়। তন্মধ্যে, কেবলমাত্র পঞ্চম দিন পুরোটা সময় খেলা সম্ভব হয়। খেলার একমাত্র ইনিংসে ৪১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৮২-৮৩ মৌসুমে কিম হিউজের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে পাকিস্তান গমন করেন। ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০ ও ১৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। আব্দুল কাদিরের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৯ উইকেটে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে নিজ দেশে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৫ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। তবে, বব হল্যান্ডের দূর্দান্ত বোলিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৫৫ রানে জয় পেলেও ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৮৫ সালে অ্যালান বর্ডারের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১৩ জুন, ১৯৮৫ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৪ ও ৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, টিম রবিনসনের অসাধারণ ব্যাটিং দাপটে স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ২৯ আগস্ট, ১৯৮৫ তারিখে লন্ডনের কেনিংটন ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের ষষ্ঠ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ২২ ও ৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। গ্রাহাম গুচের অসামান্য ব্যাটিংয়ের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৯৪ রানে জয় পেলে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে নিজ দেশে ভিভ রিচার্ডসের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৮ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১২ ও ৭ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। কার্টলি অ্যামব্রোসের অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৮৫ রানে পরাভূত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

টেস্টগুলো থেকে নয় শতক সহযোগে ৩১.৮৩ গড়ে ৩৩৭৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ৩৫ শতক সহকারে ৩৯.৯৭ গড়ে ১৩৩৫৩ রান তুলেছেন ।

ক্যারি প্যাকারের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেট চলাকালীন অস্ট্রেলিয়া দলের শূন্যতা পূরণে অগ্রসর হন। দলের ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বিশ্বব্যাপী যখন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান পেসারদের বোলিংয়ে ব্যাটসম্যানেরা সন্ত্রস্ত ছিলেন, তখন তিনি তাঁদের মোকাবেলায় অগ্রসর হন। ২৩ জানুয়ারি, ২০১২ তারিখে এক স্বাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘আমি ঐ ধরনের বলকে কখনোই ভয় পাইনি।’ তবে, রান-আউটের দিকে বাতিক ছিল। শর্ট-লেগ অঞ্চলে ফিল্ডিং করতেন।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এক পর্যায়ে ওয়াকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে অগ্রসর হন। ১২ অক্টোবর, ২০১১ তারিখে এ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। অ্যাঞ্জেলা নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। সিএন উড নামীয় সন্তান রয়েছে। এমআরজে ভ্যালেটা সম্পর্কে তাঁর শ্যালক।

সম্পৃক্ত পোস্ট