|

মাইকেল চিনুয়া

৯ জুন, ১৯৮৬ তারিখে কেউইকেউই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ বোলারের দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০১০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রালস, মিড ওয়েস্ট রাইনোস, মিডল্যান্ডস ও সাউদার্ন রক্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। এছাড়াও, জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের পক্ষে খেলেছেন। ৯ এপ্রিল, ২০০৪ তারিখে কেউইকেউইয়ে অনুষ্ঠিত মিডল্যান্ডস বনাম ম্যাশোনাল্যান্ডের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

২০১৩ থেকে ২০১৬ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও সমসংখ্যক ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। তন্মধ্যে, উভয় টেস্টই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলার জন্যে জাতীয় দলের খেলার আমন্ত্রণ পান। তবে, প্রথম একাদশে ঠাঁই পাননি। একই বছরের জুলাই মাসে হারারেতে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজের তৃতীয় ওডিআইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ২৮ জুলাই, ২০১৩ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় তিনি ১/৩৬ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করিয়েছিলেন।

২০১৬ সালে নিজ দেশে কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৮ জুলাই, ২০১৬ তারিখে বুলাওয়ের কুইন্স পার্ক ক্লাবে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। চামু চিভাভাপ্রিন্স মাসভুরে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ১/৭৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ১ ও ০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। রস টেলরের অনবদ্য শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ১১৭ রানে জয় তুলে নিলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, ৬ আগস্ট, ২০১৬ তারিখে একই মাঠে ও একই দলের বিপক্ষে সিরাজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত খেলেন। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৫৪ রানে পরাজয়বরণ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। খেলায় তিনি ১/৬৪ ও ১/৪৫ লাভ করেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ০* ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তীতে এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে দুই শতাধিক প্রথম-শ্রেণীর উইকেট পেলেও দূর্ভাগ্যজনকভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেমন খেলার সুযোগ পাননি।

সম্পৃক্ত পোস্ট