১০ নভেম্বর, ১৯৬৮ তারিখে পাঞ্জাবের রাওয়ালপিন্ডিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলেছেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৮০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৮৬-৮৭ মৌসুম থেকে ২০০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে খান রিসার্চ ল্যাবস ও রাওয়ালপিন্ডির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তন্মধ্যে, কেআরএলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে নিজ দেশে কৃষ শ্রীকান্তের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ঐ সিরিজেই অংশগ্রহণকৃত তিন টেস্ট খেলেছিলেন। ২৩ নভেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। নাভেদ আঞ্জুমের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ৩৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, সঞ্জয় মাঞ্জরেকরের অসামান্য ব্যাটিং দৃঢ়তার কারণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
এরপর, ১ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ না পেলেও উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
একই সফরের ৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে শিয়ালকোটে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। এবার তিনি ১০ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন ও দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। নবজ্যোৎ সিং সিঁধু’র ব্যাটিংয়ের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
