২৪ অক্টোবর, ১৯২৫ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের উইন্ডসর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

আলেকজান্ডার ও লিলি এলিজাবেথ দম্পতির সন্তান ছিলেন। ভার্জিনিয়া স্টেট স্কুলে ভর্তি হন। বিদ্যালয় ক্রিকেটে ব্যাপকসংখ্যক রান সংগ্রহের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ‘ভার্জিনিয়া ব্র্যাডম্যান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৪ বছর বয়সে শারউড স্টেট স্কুলের বিপক্ষে দশ উইকেটের সবগুলো করায়ত্ত্ব করেন ও এরপর ৩৬৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। এরফলে, উইজডেনে প্রথমবারের মতো নিজের নাম লিপিবদ্ধ করেন।

‘স্ল্যাশার’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। দূর্ভাগ্যবশতঃ সমসাময়িক রিচি বেনো ও অ্যালান ডেভিডসনের ন্যায় বিখ্যাত অল-রাউন্ডারদের সাথে তাঁকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে হয়। পাশাপাশি রে লিন্ডওয়ালকিথ মিলারের সাফল্যের কারণে খুব সহজে দলে খেলার সুযোগ পেতেন না। কুইন্সল্যান্ডের অন্যতম সেরা ও সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ক্রিকেটারের মর্যাদা পেয়েছেন। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুম থেকে ১৯৬৩-৬৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে কুইন্সল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৫৬ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ৩৭ টেস্টে অংশ নিয়েছেন। ১৯৫৬ সালে ইয়ান জনসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২১ জুন, ১৯৫৬ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অংশ নেন। প্যাট ক্রফোর্ডের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৩৮ ও ৩১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/১৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ১৮৫ রানে জয় পেলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৫৬-৫৭ মৌসুমে ইয়ান জনসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ভারত গমন করেন। ২৬ অক্টোবর, ১৯৫৬ তারিখে বোম্বের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ২৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ৩/২৭ ও ০/২২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৫৭-৫৮ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে ইয়ান ক্রেগের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৭ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা দলের বিপক্ষে অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৩৮ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৩ ও ৬৫* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৫৪ ও ০/২৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

এরপর, ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৫৭ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে দলের একমাত্র ইনিংসে ৬৩ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, ০/৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ১৪১ রানে জয়লাভ করলে সফরকারী পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৮৩* রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে নিজ দেশে পিটার মে’র নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ৫ ডিসেম্বর, ১৯৫৮ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/১৬ ও ১/৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৬ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৯ জানুয়ারি, ১৯৫৯ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৭ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/১৯ ও ০/২১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও পূর্বের দুই টেস্টে জয়ের সুবাদে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

এরপর, ৩০ জানুয়ারি, ১৯৫৯ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১০ উইকেটে জয় পেলে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৯ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ৯ উইকেটে পরাজিত হলে সফরকারীরা ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৫৯-৬০ মৌসুমে রিচি বেনো’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৫৯ তারিখে কানপুরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। তবে, একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ১১৯ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতায় আসতে সমর্থ হয়।

১৯৬০-৬১ মৌসুমে নিজ দেশে ফ্রাঙ্ক ওরেলের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৯ ডিসেম্বর, ১৯৬০ তারিখে ব্রিসবেনের গাব্বায় অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রথম টাই টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৩৫ ও ২৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৫ ও ১/৫২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি টাইয়ে পরিণত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই সফরের ২৭ জানুয়ারি, ১৯৬১ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২৯ ও ৬২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১১ ও ২/৭২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৬১ সালে রিচি বেনো’র অধিনায়কত্বে ইংল্যান্ড সফরে যান। ৮ জুন, ১৯৬১ তারিখে বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪/৫৭ ও ১/৮৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

এরপর, ২২ জুন, ১৯৬১ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত অ্যাশেজ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২/২৪ ও ০/৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পাশাপাশি, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৪ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলায় তাঁর দল ৫ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৬২-৬৩ মৌসুমে নিজ দেশে টেড ডেক্সটারের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২৫ জানুয়ারি, ১৯৬৩ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ১ ও ৩ রান সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে ফ্রেড ট্রুম্যানের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৮০ ও ১/১৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

টেস্টগুলো থেকে ৩৩.৪৮ গড়ে ১৫০৭ রান সংগ্রহ করেছেন। কোন শতরানের সন্ধান না পেলেও তেরোবার অর্ধ-শতক হাঁকিয়েছেন। বল হাতে নিয়ে ৩৪.৪২ গড়ে ৫০ উইকেট লাভ করেছেন। তন্মধ্যে, দুইবার পাঁচ-উইকেট পেয়েছিলেন। তবে, ওভারপ্রতি রান খরচের দিক দিয়েই তিনি উল্লেখযোগ্য সফলতার অধিকারী ছিলেন। ওভারপ্রতি তিনি মাত্র ১.৭৮ রান খরচ করেছেন। ৫০ কিংবা ততোধিক টেস্ট উইকেট লাভের দিক দিয়ে কেবলমাত্র ট্রেভর গডার্ড, বাপু নদকর্ণী ও বার্ট আয়রনমোঙ্গার তাঁর তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন।

৩৮ বছর বয়সে ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এমনকি সফররত দক্ষিণ আফ্রিকান একাদশের বিপক্ষে খেলায় ১৩-৫-১৪-২ ও ২১-৮-২৩-২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করিয়েছিলেন। নিজ মাঠে নিজের শেষ খেলায় ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে তিনি কেবলমাত্র ৭ রান এবং ২/৬১ ও ৩/৭৬ লাভ করেছিলেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটগুলোয় ৪৩.৬৪ গড়ে ২৩ শতক সহযোগে ১০৮২৩ রান সংগ্রহের পাশাপাশি ৩৩.৩১ গড়ে ২৫১ উইকেট পেয়েছেন। সাতবার পাঁচ-উইকেট দখল করেছেন। ওভারপ্রতি ২.০১ গড়ে রান খরচ করেছেন।

ক্রিকেটে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ নববর্ষের সম্মাননা হিসেবে ১৯৬২ সালে এমবিই উপাধীতে ভূষিত হন। তাঁর সম্মানার্থে ব্রিসবেনের নান্দায় কেন ম্যাকে ওভাল নামকরণ করা হয়।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। ৪ আগস্ট, ১৯৫১ তারিখে মাভিস জ্যঁ কেনওয়ে নাম্নী এক কেরাণীকে ব্রিসবেনের সেন্ট পলস প্রেসবাইটেরিয়ান চার্চে বিয়ে করেন। এ দম্পতির চার কন্যা ছিল। ১৩ জুন, ১৯৮২ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের পয়েন্ট লুকআউট এলাকায় ৫৬ বছর ২৩২ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। তাঁর সম্পর্কে জ্যাক পোলার্ড ‘অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট, দ্য গেম এন্ড দ্য প্লেয়ার্স’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ‘যতদিন অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট খেলা হবে, ততদিন তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি বেশ ধীরলয়ে চলতেন, অত্যন্ত ধীরগতিতে রান সংগ্রহ করতেন।’

সম্পৃক্ত পোস্ট