১০ অক্টোবর, ১৯৮৩ তারিখে হারারের হাইফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
খেলাধূলাপ্রিয় পরিবারের সন্তান তিনি। তবে, ক্রিকেটের দিকে তাঁর পরিবারের কোন আগ্রহ ছিল না। জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বুলাওয়েতে ফুটবল খেলতেন ও তিনিই কেবল ক্রিকেটে অংশ নিতেন। হারারের কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী অধ্যূষিত হাইফিল্ডের চিপেম্বেরি প্রাইমারি স্কুল গ্রেড থ্রিতে অধ্যয়নকালীন ক্রিকেটের প্রতি তাঁর আসক্তি জন্মে। জেডসিইউ’র কোচ স্টিফেন ম্যাঙ্গোঙ্গো বিদ্যালয়ে আসেন ও ছাত্রদেরকে ক্রিকেটের উদ্বুদ্ধ করে তুলেন। গ্রেড ফাইভ ও সিক্সে থাকাকালীন আগ্রহ নষ্ট হয়ে গেলেও পুণরায় আগ্রহান্বিত হন।
নিজস্ব শেষ বর্ষে গ্রেড সেভেনে অধ্যয়নকালীন চিপেম্বেরি সফলতম বর্ষ কাটায়। সবগুলো খেলায় দলটি জয়লাভ করে। হেলেনিক স্কুলের বিপক্ষে নিজের সেরা খেলা উপহার দেন। দল মাত্র ৩৬ রানে গুটিয়ে গেলেও বোলিং উদ্বোধনে নেমে চার রান খরচায় আট উইকেট নিয়ে দলকে জয় এনে দেন। এটিই তাঁর সেরা বোলিং বিশ্লেষণ। এখন তিনি বলকে ব্যাটের বাইরে, শূন্যে কিংবা পিচের বাইরে ফেললেও একাডেমিতে অবস্থানকালে তিনি নিজস্ব ধাঁচে বোলিং করার সুযোগই পেতেন না। স্লিপস কিংবা গালি অঞ্চলে ফিল্ডিং করতে অধিক পছন্দ করেন। এরপর তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকা গমনার্থে জিম্বাবুয়ে ডেভেলপম্যান্ট দলে যুক্ত করা হয়।
খুব শৈশবকাল থেকেই প্রতিশ্রুতিশীলতার স্বাক্ষর রাখেন ও অন্যতম উদীয়মান তরুণ হিসেবে জিম্বাবুয়ে দলে খেলেন। টাটেন্ডা তাইবু, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও স্টুয়ার্ট ম্যাটসিকেনেরি’র সমসাময়িক হিসেবে হারারের শহরতলী হাইফিল্ড থেকে এসেছেন। ৫০জন থেকে তাঁদের সাথে চারজনের অন্যতম হিসেবে চার্চিল হাই স্কুলে অধ্যয়নের জন্যে জেডসিইউ বৃত্তি লাভ করেন। বিদ্যালয়ের প্রথম দল ফর্ম থ্রিতে যুক্ত হন। অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ের ক্রিকেটে ঈগলসভেল স্কুলের বিপক্ষে সেরা খেলায় অংশ নেন। প্রতিপক্ষের সংগ্রহ ২৪০ হবার পর তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯৫ রান তুলেন। এ পর্যায়ে হ্যামিল্টন মাসাকাদজা’র সাথে চমৎকার জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন।
একই সময়ে ম্যাশোনাল্যান্ডের পক্ষে অনূর্ধ্ব-১৪, ১৬ ও ১৭ দলে খেলেন। তবে, তেমন সফলতা পাননি। এরফলে, ঐ স্তরের ক্রিকেটে জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যর্থ হন। ক্লাব ক্রিকেট খেলতে টাকাসিঙ্গা দলের সদস্য হন। উদ্বোধনীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ৬৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের বিজয়ে সেরা ভূমিকা রাখেন।
উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ও মাঝে-মধ্যে মিডিয়াম পেস বোলার হিসেবে খেলতেন। সামনের ও পিছনে উভয় পায়ের উপর ভর রেখে বলে অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়ে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। তবে, বড় ধরনের ইনিংস খেলতে তেমন সফল হননি।
১৯৯৯ সালে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন ও এক বছরের জন্যে ও-লেভেলের সম্পূরক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। এ পর্যায়ে হারারের ডেভেলপম্যান্ট দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। স্টিফেন ম্যাঙ্গোঙ্গো’র অনুপ্রেরণায় ’সুযোগ নিতে’ ২০০২ সালে সিএফএক্স একাডেমিতে আবেদন করেন ও মনোনীত হন।
চার্চিলের পক্ষে অনূর্ধ্ব-১৪ স্তরের ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১২৩ রান তুলেন। তবে, এ সংগ্রহকে তিনি সেরা হিসেবে বিবেচনায় আনতে রাজী নন। পুল ও ড্রাইভে অধিক পারদর্শী। এছাড়াও, তিন কিংবা চার নম্বর অবস্থানে থেকে ব্যাটিং করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কিন্তু, দল যদি উপকৃত হয়, তাহলে ইনিংস উদ্বোধন করতেও তাঁর দ্বিধা নেই।
‘সিবস’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে মিড ওয়েস্ট রাইনোস ও জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট একাডেমির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০০১-০২ মৌসুম থেকে ২০১৮-১৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। তন্মধ্যে, ২০০১-০২ মৌসুমে সিএফএক্স একাডেমির পক্ষে খেলেছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০২ তারিখে মুতারে স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সিএফএক্স একাডেমি বনাম মনিকাল্যান্ডের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০০৩ থেকে ২০১৬ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বমোট ১৪ টেস্ট, ১২৭টি ওডিআই ও ২৬টি টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। ২০০৩-০৪ মৌসুমে নিজ দেশে ব্রায়ান লারা’র নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৪ নভেম্বর, ২০০৩ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্টুয়ার্ট মাতসিকিনারেয়ি’র সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১৮ ও ১৬ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, হিথ স্ট্রিকের অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কারণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।
এরপর, ২২ নভেম্বর, ২০০৩ তারিখে একই দলের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে। দলে তাঁর অন্তর্ভুক্তিকে স্বার্থক করে তুলতে ৫৮ রান সংগ্রহ করেন। তবে, পরবর্তী বছরগুলোয় একইমানের ক্রীড়াশৈলীর ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারেননি। ফলে, দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টির অগোচরে চলে যান। কিন্তু, বিদ্রোহী খেলোয়াড়দের অসহযোগিতার কারণে জিম্বাবুয়ে দলে খুব দ্রুত ফিরে আসেন ও স্বীয় স্থান পাকাপোক্ত করে নেন। ব্যাটিং উদ্বোধন কার্য্য অব্যাহত রাখেন ও কিছু সফলতার সন্ধান পান।
দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কয়েকটি অর্ধ-শতক হাঁকান। কিন্তু, কোন তিন অঙ্কের সন্ধান পেতে ব্যর্থ হন। বেশ রক্ষণাত্মক ব্যাটিং জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। তবে, শট নির্বাচনে দূর্বলতার কারণে নিজের বিপদ ডেকে আনতেন। কোচ কেভিন কারেন বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। মে, ২০০৬ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমনে বেশ ভালো খেলেন। শুরুতে হাতে ব্যথা পান। দলে খেলার সুযোগ লাভের পর নিজেকে মেলে ধরতে সচেষ্ট হন। জর্জটাউনে ৫২ রান দিয়ে যাত্রা শুরু করেন ও ৭৮ রান নিয়ে শেষ করেন। এরপর, ত্রি-দেশীয় সিরিজের চূড়ান্ত খেলায় বারমুডার বিপক্ষে মনোজ্ঞ শতক হাঁকান।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে সফলতম মৌসুম অতিবাহিত করেন। ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সালে নিজ দেশে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৭, অপরাজিত ৯৩ ও ৬৪ রান সংগ্রহ করেন। তবে, বিশ্বকাপে এ সাফল্যের পুণরাবৃত্তি ঘটাতে পারেননি। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ে দলের সদস্য ছিলেন। পুরো প্রতিযোগিতায় একটিমাত্র অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেন। কিংস্টনে টাই হয়ে পড়া খেলাটিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৭ রানের ইনিংসটি খেলেন ও দূর্ভাগ্যজনকভাবে হিট-উইকেটে বিদেয় নেন। বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করা হলে বিতর্কের সৃষ্টি হয় ও সিডনিভিত্তিক ক্লাব ক্রিকেটে খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখবেন বলে জানান। কিন্তু, তিনি এ বিষয়টি অস্বীকার করেন ও জিম্বাবুয়ের পক্ষে খেলা চালিয়ে কিছু সফলতার স্বাক্ষর রাখেন।
বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শেষে অস্ট্রেলিয়ার ক্লাব ক্রিকেটে ফিরে যান। তবে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণকে ঘিরে প্রশ্নের মুখে পড়েন। তাসত্ত্বেও, জিম্বাবুয়ে দলে ফিরে আসেন। আফ্রো-এশিয়া কাপে কিছু উৎসাহব্যঞ্জক ইনিংস খেললেও বড় রানের সন্ধান পাননি। ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে বুলাওয়েতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অল্পের জন্যে প্রথম ওডিআই শতক লাভ করা থেকে বঞ্চিত হন। ৯৬ রান তুলে রান-আউটের কবলে পড়েন।
বেশ ভালোমানের অর্ধ-শতকগুলোকে বড় ধরনের সংগ্রহে রূপান্তর করতে ব্যর্থ হলেও দীর্ঘ সংস্করণের খেলায় অংশ নেন। তিনটি টেস্টে অংশ নেয়ার পর জিম্বাবুয়ে দল স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যায়। এ সময়েও তিনি তেমন ভালোমানের খেলা উপহার দিতে পারেননি। তবে, ঘরোয়া ক্রিকেটে পরিপক্কতার চিহ্ন উপস্থাপনে সচেষ্ট হন।
২০০৯-১০ মৌসুমে দলের অন্যতম জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় ছিলেন। মিড ওয়েস্ট রাইনোসের অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত হন। ঐ বছরের শেষ দিকে কেনিয়ার বিপক্ষে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে জিম্বাবুয়ে একাদশের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রথম ইনিংসে ২০৯ ও দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১১৬ রান তুলে দলকে জয় এনে দেন। খেলার ছন্দে ফিরে আসেন। লোগান কাপে ৯৫ গড়ে নয়টি শতক সহযোগে প্রায় দেড় হাজার রান তুলেন। এ পর্যায়ে তৎকালীন ব্যক্তিগত ২১৫ রানের সর্বোচ্চ রান তুলেন।
এ রেকর্ডের পাশাপাশি খুব শীঘ্রই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। টেস্টে তেমন অবদান রাখতে না পারলেও সীমিত-ওভারের খেলায় ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলছিলেন। মে, ২০১৩ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওডিআইয়ে নিজস্ব দ্বিতীয় শতক হাঁকান। এরফলে, সফরকারীদের বিপক্ষে তিন-খেলা নিয়ে গড়া সিরিজে দলকে জয় এনে দেন।
২০১১-১২ মৌসুমে নিজ দেশে রস টেলরের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ১ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৭৮ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৯৩ ও ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ড্যানিয়েল ভেট্টোরি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড সাফল্যে স্বাগতিকরা ৩৪ রানে পরাজয়বরণ করে।
২০১৪ সালের বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ে দল বিশেষ সুবিধে করতে না পারলেও দ্বিতীয় খেলায় শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে বিরাট ভূমিকা রাখেন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ব্রেন্ডন টেলরের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ে দলের সদস্যরূপে বাংলাদেশ সফরে যান। ২৫ অক্টোবর, ২০১৪ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। ৬ ও ১৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিক দল তিন উইকেট জয় পায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
মিড ওয়েস্ট রাইনোসের সদস্যরূপে মাতাবেলেল্যান্ড তুস্কার্সের বিপক্ষে ২১৭ রানের মনোরম দ্বি-শতরানের ইনিংস খেলেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে এটিই তাঁর সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। এরফলে, দল ইনিংস ও ২৯৯ রানের বিশাল জয় পায়।
অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারকে পছন্দের তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। হেনরি ওলোঙ্গাকে প্রবল প্রতিপক্ষ হিসেবে চিত্রিত করেছেন। একাডেমি দলে অংশগ্রহণের বিষয়টি সর্বাপেক্ষা মর্যাদার আসনে রেখেছেন। আর্নল্ড রাশাম্বা ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা তাঁর অন্তরঙ্গ বন্ধু। ক্রিকেটের বাইরে বিদ্যালয় জীবনে রাগবি ও অ্যাথলেটিক্সে পারদর্শী ছিলেন। এছাড়াও, দৌঁড় বিষয়ে তাঁর বেশ আগ্রহ রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই স্টিফেন ম্যাঙ্গোঙ্গো তাঁকে সর্বাধিক সহায়তার হাত প্রশস্ত করেছেন ও ব্যক্তিগত কোচ হিসেবে রয়েছেন।
