|

ফিল নিউপোর্ট

১১ অক্টোবর, ১৯৬২ তারিখে বাকিংহামশায়ারের হাই ওয়েকম্ব এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ সিম বোলার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ওরচেস্টারশায়ার এবং দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে বোল্যান্ড ও নর্দার্ন ট্রান্সভাল দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮২ থেকে ১৯৯৯ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেছেন। ইয়ান বোথামের সাথে তিনি অন্যতম ভূমিকা রেখে স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেছিলেন। আঘাতের কারণে ১৯৯৬ সালের দুই-তৃতীয়াংশ সময় মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়।

১৯৮০-এর দশকের শেষদিক থেকে শুরু করে ১৯৯০-এর দশকের সূচনাকাল পর্যন্ত অগণিত সিমারদের অন্যতম হিসেবে কেবলমাত্র একবার দূর্বল ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের কারণে কর্তৃপক্ষের রোষানলে পড়ে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন।

১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ সময়কালে সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের পক্ষে মাত্র তিন টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৮৮ সালে নিজ দেশে রঞ্জন মাদুগালে’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ২৫ আগস্ট, ১৯৮৮ তারিখে লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ডেভিড লরেন্স, কিম বার্নেট ও জ্যাক রাসেলের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। চমৎকার খেলেছিলেন। ঐ টেস্টে তিনি সাত উইকেট দখল করেন। তবে, রবি রত্নায়েকে’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন স্বত্ত্বেও স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয় পায়।

১৯৮৯ সালে ইংল্যান্ডে সফররত অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে ওরচেস্টারশায়ারের সদস্যরূপে নিম্নমূখী রানের প্রস্তুতিমূলক খেলায় দশ উইকেট পান। প্রথম টেস্টের জন্যে তাঁকে দলে রাখা হয়। কিন্তু, হেডিংলিতে স্টিভ ওয়াহ তাঁর আগমনের কথা তুলে ধরেন। দল নির্বাচকমণ্ডলীর নজর থেকে দূরে সড়ে যান।

এরপর, ১৯৯০-৯১ মৌসুমে গ্রাহাম গুচের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দল অস্ট্রেলিয়া গমন করে। এ সফরে আঘাতের কবলে পড়া ইংরেজ দলের পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নেন। তবে, কাউন্টি ক্রিকেটে অন্যতম সেরা সুইং বোলার হিসেবে বিবেচিত হলেও তাঁকে আর দলে রাখা হয়নি।

১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে পার্থে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। এ টেস্টের অল্প কিছুদিন পূর্বে ইংল্যান্ড ‘এ’ দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কায় দারুণ খেলার সুবাদে এ আমন্ত্রণ পান। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ৪০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৫৬ ও ০/২২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ক্রেগ ম্যাকডারমটের দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যে সফরকারীরা ৯ উইকেটে পরাভূত হলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। এনএ নিউপোর্ট নামীয় সন্তানের জনক।

সম্পৃক্ত পোস্ট