|

আইজাজ চিমা

৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ তারিখে পাঞ্জাবের সারগোদা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০১০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

২০০১-০২ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর রবি, লাহোর শালিমার, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স ও পাঞ্জাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, লাহোর ঈগলস, লাহোর লায়ন্স, লাহোর কালান্দার্স, মডেল টাউন গ্রীন, পাঞ্জাব স্ট্যালিয়ন্স ও কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের পক্ষে খেলেছেন।

পাকিস্তান দলে খেলার জন্যে ৩১ বছর বয়স পর্যন্ত তাঁকে অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়েছিল। প্রথম-শ্রেণীর কায়েদ-ই-আজম ট্রফি প্রতিযোগিতায় দূর্দান্ত খেলেন। আট খেলায় অংশ নিয়ে ৫৭ উইকেট পান।

২০১১ থেকে ২০১২ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে সাতটিমাত্র টেস্ট, ১৪টি ওডিআই ও পাঁচটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ২০১১-১২ মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে জিম্বাবুয়ে সফরে যান। ১ সেপ্টেম্বর, ২০১১ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। জুনায়েদ খানের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তন্মধ্যে, নিজস্ব ৩২তম জন্মদিনে দুই উইকেট পেয়েছিলেন। সবমিলিয়ে টেস্ট অভিষেকে ৮/১০৩ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। এ পরিসংখ্যানটি অভিষেকে যে-কোন পাকিস্তানী বোলারের মধ্যে দ্বিতীয় সেরার মর্যাদা পায়। ৪/৭৯ ও ৪/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে শূন্য রানে অপরাজিত ছিলেন। তবে, মোহাম্মদ হাফিজের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে তাঁর দল সাত উইকেটে জয় পায়।

একই মৌসুমে মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে শূন্য রানে অপরাজিত অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৯ ও ০/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। আজহার আলী’র দূর্দান্ত শতকের কল্যাণে ইংল্যান্ড দল ৭১ রানে পরাজিত হলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০১২ সালে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ৩০ জুন, ২০১২ তারিখে কলম্বোয় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ০/৮৬ ও ০/১১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, জুনায়েদ খানের বোলিংয়ের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট