৮ অক্টোবর, ১৯১৯ তারিখে ওয়েস্ট কোস্টের ওয়েস্টপোর্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে আক্রমণাত্মক ধাঁচে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৪০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩৮-৩৯ মৌসুম থেকে ১৯৪৯-৫০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। এ পর্যায়ে দলটির পক্ষে ৩৬.৮০ গড়ে ১৭২৮ রান তুলেন।
১৯৪৬ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রসঙ্গতঃ এটিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালে নিউজিল্যান্ডের টেস্টে প্রথম অংশগ্রহণ ছিল। পাশাপাশি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টের ইতিহাসে এটিই উদ্বোধনী খেলা ছিল।
১৯৪৫-৪৬ মৌসুমে নিজ দেশে বিল ব্রাউনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২৯ মার্চ, ১৯৪৬ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। সেস বার্ক, গর্ডন রো, ডন ম্যাক্রে, লেন বাটারফিল্ড ও ভার্ডান স্কটের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ টেস্টে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন। রে লিন্ডওয়ালের প্রথম টেস্ট উইকেট শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। ৪ ও ১ রান তুলে উভয় ইনিংসেই তাঁর বলে বোল্ড হন। চার দিন নিয়ে গড়া ঐ টেস্টটি দুই দিনে শেষ হয়ে যায়। স্বাগতিক দল ৪২ ও ৫৪ রানে গুটিয়ে গেলে প্রতিপক্ষের কাছে ইনিংস ও ১০৩ রানে পরাভূত হয়।
দূর্ভাগ্যজনকভাবে ১৯৪৯ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে তাঁকে আর দলে রাখা হয়নি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্রত্যাখ্যাত হলেও বিশ্বযুদ্ধের আগে-পড়ে ক্যান্টারবারি দলে দারুণ ভূমিকা রেখে গেছেন। তন্মধ্যে, ১৯৪৫-৪৬ মৌসুমে ওতাগোর বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৩৭ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছেন। অবসর পরবর্তী সময়কালে প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের দল নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। রবার্ট অ্যান্ডারসন নামীয় তাঁর সন্তান নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছে। ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে ৬০ বছর বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
