|

কলাম ফার্গুসন

২১ নভেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার নর্থ অ্যাডিলেড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘ফার্গ’ ডাকনামে ভূষিত কলাম ফার্গুসন ১.৮০ মিটার উচ্চতার অধিকারী। প্রসপেক্টভিত্তিক ব্ল্যাক ফ্রায়ার্স প্রায়োরি স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। এরপর, কেনসিংটনভিত্তিক ম্যারিয়াটভিল হাই স্কুলে পড়াশুনো করেন। ধ্রুপদীশৈলীর ব্যাটসম্যান। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরু থেকেই ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিলেন। ২০০৪-০৫ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়া ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ওরচেস্টারশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স, মেলবোর্ন রেনেগাডেস, সিডনি থান্ডার ও পুনে ওয়ারিয়র্সের পক্ষে খেলেছেন।

১৬ অক্টোবর, ২০০৪ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সাউথ অস্ট্রেলিয়া বনাম ভিক্টোরিয়ার মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবনের সূত্রপাত ঘটান। প্রথম দুই মৌসুমে ৭৩৩ ও ৬০৩ রান তুলে সংশ্লিষ্ট সকলের নজর কাড়েন। নভেম্বর, ২০১৫ তারিখে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম দ্বি-শতক হাঁকান। তবে, ঐ গ্রীষ্মের দ্বিতীয়ার্ধ্বে আবারও তাঁকে গুরুতর হাঁটুর আঘাতের কারণে বাইরে চলে যেতে হয়। ৮ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে একই মাঠে কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণ করেন। বিবিএলে সিডনি থান্ডারের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট, ৩০টি ওডিআই ও তিনটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। ঐ বছর অস্ট্রেলিয়ার ওডিআই দলে আসা-যাবার পালায় ছিলেন। কিন্তু, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির চূড়ান্ত খেলায় গুরুতর হাঁটুর আঘাতের কবলে পড়েন। এরফলে, ২০০৯-১০ মৌসুমে পুরো গ্রীষ্মে দলের বাইরে চলে যেতে বাধ্য হন। এরপর, আরও কয়েকটি ওডিআইয়ে অংশ নেন। পরবর্তীতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে চলে যান।

২০১৬-১৭ মৌসুমে নিজ দেশে ফাফ ডু প্লিসি’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। প্রায় ৩২ বছর বয়সে এসে ১২ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে হোবার্টে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। জো মেনি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ফিল্ডিং কোচ গ্রেগ ব্লিউয়েটের কাছ থেকে ব্যাগি গ্রীন ক্যাপ গ্রহণ করেন। তবে, দুই ইনিংস থেকে মাত্র চার রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। খেলায় তিনি ৩ ও ১ রান তুলেছিলেন। কাইল অ্যাবটের অসাধারণ বোলিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৮০ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে পরিণত হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট