|

ড্যারিল মিচেল

২০ মে, ১৯৯১ তারিখে হ্যামিল্টনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘মুস’ কিংবা ‘ড্যাজ’ ডাকনামে পরিচিতি পান। নিউজিল্যান্ডের রাগবি ইউনিয়ন খেলোয়াড় ও কোচ জন মিচেলের সন্তান তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেককালীন ইংল্যান্ডের রাগবি ইউনিয়ন দলের কোচের দায়িত্বকালে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত খেলায় পরাজিত হয়েছিল। ২০১১-১২ মৌসুমের শেষদিক থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, রাজস্থান রয়্যালস ও লিঙ্কনের পক্ষে খেলেছেন। ১৮ মার্চ, ২০১২ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস বনাম অকল্যান্ডের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। পরের মৌসুমেই ৫৪.৫৩ গড়ে রান তুলেছিলেন। এরফলে, ভারত ও শ্রীলঙ্কা গমনার্থে নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত হন। সেখানে অবশ্য সুবিধে করতে পারেননি।

নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের পক্ষে সকল স্তরের ক্রিকেটে অংশ নিতে খুব বেশী সময় লাগেনি। পরিবেশের সাথে একাত্মতা পোষণের মাধ্যমেই সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেন। ক্রীড়াপ্রেমী পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতেই শৃঙ্খলাবোধ তাঁর মাঝে গড়ে উঠে। শুরুরদিকে মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ইনিংসের ভিত্তি আনয়ণে সর্বদা সচেষ্ট থাকতেন। বোলিংয়ে তেমন ধার ছিল না ও রান খরচ করলেও উইকেট পেতেন। ২০১৮-১৯ মৌসুমে দারুণ সময় কাটান। ঘরোয়া আসরে ক্রমাগত সাফল্যের কারণে বিশেষতঃ সুপার স্ম্যাশে বেশ ভালো করায় প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন।

নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের পক্ষে সফলতম খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করার পর ক্যান্টারবারিতে চলে যান। ২০২০-২১ মৌসুমে তারকা ক্রিকেটার অ্যান্ড্রু এলিসের অবসর গ্রহণের কারণে অল-রাউন্ডারের শূন্যতা পূরণে তাঁকে দলে যুক্ত করা হয়। ঘরোয়া ক্রিকেটে উপর্যুপরী ইনিংসে শতক হাঁকান। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পূর্বে ক্যান্টারবারির বিপক্ষে ১৭০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন।

২০১৯ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে প্রবেশ করেন। ২০১৯ সালের শেষদিকে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের আঘাতের কারণে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁকে দলে ঠাঁই দেয়া হয়। ২০১৯-২০ মৌসুমে নিজ দেশে জো রুটের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ২৯ নভেম্বর, ২০১৯ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। প্রথম ইনিংসে ৭৩ রানের ধ্রুপদীশৈলীর ইনিংস খেলে নিজেকে অভিষেক টেস্টে স্মরণীয় করে রাখেন। এছাড়াও, ০/৬৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়কের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

খুব দ্রুত নিজেকে ব্যাট ও বল নিয়ে শীর্ষ খেলোয়াড়ে পরিণত করেন। ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজকে ঘিরে ডেভন কনওয়ে’র পরিবর্তে খেলার সুযোগ পান। ২০২১-২২ মৌসুমে প্রথমবারের মতো ভারতের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে টম ল্যাথামের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ভারত সফরে যান। ৩ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৮ ও ৬০ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে অক্ষর প্যাটেলের শিকারে পরিণত হন। মৈয়াঙ্ক আগরওয়ালের অসামান্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩৭২ রানের ব্যবধানে জয় পায় ও ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

২০২২ সালে কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২ জুন, ২০২২ তারিখে লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৪ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এ পর্যায়ে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১০২ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১৩ ও ১০৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, জো রুটের অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ৫ উইকেটে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ১০ জুন, ২০২২ তারিখে নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজ অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১০৮ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১৯০ ও ৬২* রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, জনি বেয়ারস্টো’র অসাধারণ মারকুটে শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে বেন স্টোকসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ০ ও ৫৭* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, হ্যারি ব্রুকের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৬৭ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই মৌসুমে নিজ দেশে ডিমুথ করুণারত্নে’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ৯ মার্চ, ২০২৩ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হয়েছিলেন। ১০২ ও ৮১ রান সংগ্রহ করেছেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২ উইকেটে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২৪-২৫ মৌসুমে টম ল্যাথামের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ১ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে ওয়াংখেড়েতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে ৮২ ও ২১ রান সংগ্রহসহ চারটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, এজাজ প্যাটেলের স্মরণীয় বোলিং সাফল্যে স্বাগতিকরা মাত্র ২৫ রানে পরাভূত হলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে বেন স্টোকসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১৪ ও ৬০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। মিচেল স্যান্টনারের অনবদ্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৪২৩ রানের বিরাট ব্যবধানে জয়লাভ করলেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০২৫-২৬ মৌসুমে নিজ দেশে রোস্টন চেজের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ডেভন কনওয়ে’র অসাধারণ জোড়া শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩২৩ রানে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

Similar Posts

  • | | |

    মাইক অ্যাথার্টন

    ২৩ মার্চ, ১৯৬৮ তারিখে ল্যাঙ্কাশায়ারের ফেইলসওয়ার্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, সাংবাদিক ও লেখক। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ৬ ফুট উচ্চতার অধিকারী মাইকেল অ্যাথারটন ‘কোকরোচ’, ‘এফইসি’, ‘অ্যাথার্স’ কিংবা ‘ড্রেড’ ডাকনামে পরিচিত ছিলেন। ম্যানচেস্টার গ্রামার স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। এরপর, কেমব্রিজের ডাউনিং…

  • |

    লাসিথ এম্বুলদেনিয়া

    ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৬ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে খেলছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কলম্বোভিত্তিক রয়্যাল কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। রঙ্গনা হেরাথকে পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রেখেছেন। রঙ্গনা হেরাথের ন্যায় তিনিও টেস্টভুক্ত সকল দেশের বিপক্ষে পাঁচ-উইকেট লাভের কৃতিত্ব প্রদর্শন করার স্বপ্ন দেখেন। ধারাবাহিকতা…

  • |

    তাফাদজা কামুঙ্গোজি

    ৮ জুন, ১৯৮৭ তারিখে হারারেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে সবিশেষ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। হারারের প্রতিশ্রুতিশীল লেগ-স্পিনার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। হাইফিল্ডের শহরতলী চেঙ্গু প্রাইমারি স্কুলে ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। শুরুতে সিম বোলার হিসেবে খেলতেন। তবে, হাইফিল্ড হাই…

  • | |

    উইলফ্রেড ফ্লাওয়ার্স

    ৭ ডিসেম্বর, ১৮৫৬ তারিখে নটিংহ্যামশায়ারের কালভার্টন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, দক্ষ ফিল্ডার হিসেবে তাঁর বেশ সুনাম ছিল। সচরাচর তিনি থার্ড ম্যান কিংবা মিড-উইকেট বরাবর এলাকায় অবস্থান করতেন। কালভার্টনে জন্মগ্রহণ করলেও ক্রিকেটের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত সাটন-ইন-অ্যাশফিল্ডে খুব ছোটবেলায় চলে যান। ক্রিকেটপ্রিয় পরিবারে…

  • |

    রোল্যান্ড পোপ

    ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৪ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের অ্যাশফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে স্লো বোলিং করতেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষকের ভূমিকায় তাঁকে অবতীর্ণ হতে হতো। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। হোবার্টভিত্তিক হাচিন্স স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। বিদ্যালয় একাদশে ব্যাটসম্যান ও বোলারের দায়িত্ব পালন করতেন। পরবর্তীতে, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের…

  • | |

    সরফরাজ আহমেদ

    ২২ মে, ১৯৮৭ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরের অংশ নিয়েছেন ও পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। সহজাত প্রকৃতির উইকেট-রক্ষক ছিলেন না। কেবলমাত্র আক্রমণাত্মক স্ট্রোকপ্লের কারণে উত্তরোত্তর নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। ২০০৬ সালের আইসিসি…