|

কামিন্ডু মেন্ডিস

৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে গলেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর অফ-ব্রেক কিংবা স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারঙ্গমতা প্রদর্শন করছেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

গলেভিত্তিক রিচমন্ড কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ষোড়শ জন্মদিন উদযাপনের পূর্বেই শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ দলে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ২০১৮ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কলম্বো এবং তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ক্যান্ডি তুস্কার্সের পক্ষে খেলেছেন। ৩০ নভেম্বর, ২০১৮ তারিখে কাতুনায়েকেতে অনুষ্ঠিত চিল’ বনাম তামিল ইউনিয়নের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

স্কয়ার অঞ্চলে বল ঠেলে দিয়ে ব্যাপকসংখ্যক রান সংগ্রহে তৎপরতা দেখান। তবে, বল হাতে নিয়েও অনবদ্য ভূমিকা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছেন। কিন্তু, জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্তির জন্যে তাঁকে বেশ ক্ষাণিকটা অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়েছিল। উভয় হাতেই ফিঙ্গার-স্পিন বোলিং করতে পারেন। উভয়ক্ষেত্রেই সমান দক্ষতা ও নিখুঁততাভাব বজায় রাখতে সচেষ্ট হন। তবে, তাঁর লেফট-আর্ম অর্থোডক্সের তুলনায় অফ-ব্রেক তেমন ভালোমানের নয়। স্বাভাবিকভাবেই কোচদের মন জয় করেছিলেন।

সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে খেলার জন্যে যাচাই-বাছাইয়ে দূর্দান্ত অর্ধ-শতক হাঁকান। ফলশ্রুতিতে, অক্টোবর, ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন।

২০১৮ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২৭ অক্টোবর, ২০১৮ তারিখে কলম্বোর আরপিএসে অনুষ্ঠিত সফরের একমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। এরপর, ১০ মার্চ, ২০১৯ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন।

৪ মে, ২০২২ তারিখে সফরকারী বাংলাদেশ দলের টেস্ট সিরিজকে ঘিরে ক্যাপবিহীন অবস্থায় কামিল, মাদুশঙ্কা ও সুমিন্দা’র সাথে শ্রীলঙ্কা দলে অন্তর্ভুক্ত হন। অভিষেকে ৬১ রানের মনোরম অর্ধ-শতরানের সন্ধান পান। ২০২২ সালে নিজ দেশে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৮ জুলাই, ২০২২ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। প্রভাত জয়সুরিয়া ও মহেশ থিক্সানা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দলের একমাত্র ইনিংসে ৬১ রানস সংগ্রহ করে নিয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে শ্রীলঙ্কা দলকে সমতায় আনতে সহায়তা করেন। তবে, অপর অভিষেকধারী প্রভাত জয়সুরিয়া’র মারাত্মক বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া দল ইনিংস ও ৩৯ রানে পরাজিত হয়।

২০২৩-২৪ মৌসুমে ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কা দলের সদস্যরূপে বাংলাদেশ গমন করেন। দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে অপূর্ব খেলেন। ২২ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সিলেটে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ১০২ ও ১৬৪ রান সংগ্রহ করেন। এগুলোই তাঁর প্রথম শতক ছিল। এছাড়াও, ১টি ক্যাচ নিয়ে দলের ৩৫৮ রানের বিশাল বিজয়ে অবদান রাখেন। পরবর্তীতে, ৩০ মার্চ, ২০২৪ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ৯২* ও ৯ রান সংগ্রহ করেন। এরপর বল হাতে নিয়ে ৩/৩২ লাভ করে দলকে ১৯২ রানের জয় এনে দেয়াসহ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। সব মিলিয়ে ঐ সিরিজে ৩৬৭ রান সংগ্রহসহ ৩ উইকেট লাভ করে প্লেয়ার অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পান।

২০২৪ সালে ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। পুরো সিরিজে অপূর্ব খেলেন। ২৯ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ০/২৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৭৪ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, গাস অ্যাটকিনসনের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১৯০ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে লন্ডনের কেনিংটন ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। ৬৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, পথুম নিসাঙ্কা’র অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয় পেলেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। এ সিরিজে ২৬৭ রান সংগ্রহ করে জো রুটের সাথে যৌথভাবে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২৪ সালে নিজ দেশে টিম সাউদি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ১১৪ ও ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, প্রভাত জয়সুরিয়া’র অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৬৩ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, একই সফরের ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত খেলেন। একবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ১৮২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৫৪ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৩ ও ১০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, ০/১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। মার্কো জানসেনের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২৩৩ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২০২৫ সালে নিজ দেশে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৩৩ রান সংগ্রহ করেন। তবে, পথুম নিসাঙ্কা’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৭৮ রানে পরাভূত হলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

Similar Posts

  • | |

    কোশলা কুরুপ্পায়ারাচ্চি

    ১ নভেম্বর, ১৯৬৪ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব ও নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট…

  • | | |

    ওয়ারেন বার্ডসলি

    ৬ ডিসেম্বর, ১৮৮২ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের নেভারটায়ার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম সর্বশ্রেষ্ঠ বামহাতি ব্যাটসম্যানের পরিচিতি লাভ করেছেন। কেবলমাত্র দুই স্বদেশী স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান ও এএল হ্যাসেট তাঁর সংগৃহীত ৫৩টি প্রথম-শ্রেণীর শতককে…

  • | |

    ডেভ হোয়াটমোর

    ১৬ মার্চ, ১৯৫৪ তারিখে সিলনের কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। খুবই ছোটবেলা অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। কার্যকর ব্যাটসম্যান ও অসাধারণ ফিল্ডার হিসেবে তাঁর সুনাম ছিল। ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম থেকে ১৯৮৮-৮৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন সরব রেখেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া…

  • |

    ডেন পাইত

    ৬ মার্চ, ১৯৯০ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কেপটাউনভিত্তিক এসএসিএসে অধ্যয়ন করেছেন। ২০০৯-১০ মৌসুম থেকে ২০১৯-২০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে…

  • | |

    ভরত অরুণ

    ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬২ তারিখে অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়াবাদা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ক্ষীপ্র গতিসম্পন্ন মিডিয়াম-পেস বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে কার্যকর মারকুটে ব্যাটিং করতে পারতেন। আশির দশকে বেশ কয়েকজন উদীয়মান খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে…

  • |

    গেভিন ইউইং

    ২১ জানুয়ারি, ১৯৮১ তারিখে হারারেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। ২০০০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। অর্ধ-পেশাদারী ক্রিকেটার ছিলেন। জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে অস্থিরতা বিরাজকালীন উল্লেখযোগ্য ত্রাণকর্তা হিসেবে ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে প্রভাব ফেলেন। ২০০১-০২ মৌসুম থেকে ২০১২-১৩ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর…