|

উইলিয়াম ব্রান

৪ এপ্রিল, ১৮৯৯ তারিখে কেপ প্রভিন্সের পোর্ট এলিজাবেথ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯২০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২০-২১ মৌসুম থেকে ১৯৩৩-৩৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। এ সময়ে কারি কাপের খেলায় ২৫.৩৭ গড়ে ৬০৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৯৭ রান তুলেছিলেন।

১৯২২ থেকে ১৯২৩ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছেন। ১৯২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে ফ্রাঙ্ক মানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২৩ ডিসেম্বর, ১৯২২ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। বব ক্যাটারল, সিরিল ফ্রাঁসোয়া, জর্জ হার্নআইজাক বাইসের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন। এ পর্যায়ে দলীয় অধিনায়ক এইচ. ডব্লিউ. টেলরের (১৭৬) সাথে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৯৮ রান তুলে দলের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও, প্রথম ইনিংসে ১ রান সংগ্রহসহ খেলায় তিনি একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ১৬৮ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, ১ জানুয়ারি, ১৯২৩ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। সফরকারীরা নাটকীয়ভাবে ১ উইকেটে জয় পেলে সিরিজে সমতা বিরাজ করে।

একই সফরের ১৮ জানুয়ারি, ১৯২৩ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে দলের একমাত্র ইনিংসে ১৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে অগ্রসর হতে থাকে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৩ তারিখে কেপ প্রভিন্সের পোর্ট এলিজাবেথ এলাকায় ৫৪ বছর ১৭১ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট