৫ জানুয়ারি, ১৯৯৪ তারিখে খাইবার এজেন্সিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলছেন। বামহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
২০১৩-১৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে বালুচিস্তান, ফেডারেলি এডমিনিস্টার্ড ট্রাইবাল এরিয়াজ, হাবিব ব্যাংক লিমিটেড, হায়দ্রাবাদ, খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ, নর্থ ওয়েস্ট ফ্রন্টিয়ার প্রভিন্স-বালুচিস্তান, সুই সাউদার্ন গ্যাস কর্পোরেশন ও জারাই তারাকিয়াতি ব্যাংক লিমিটেডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ফাটা চিতাস, জাফনা স্ট্যালিয়ন্স, করাচী কিংস, লাহোর কালান্দার্স, মেলবোর্ন রেনেগাডেস, কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও সিডনি সিক্সার্সের পক্ষে খেলেছেন। ২৩ অক্টোবর, ২০১৩ তারিখে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ওয়াটার ও পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বনাম জারাই তারাকিয়াতি ব্যাংক লিমিটেডের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূচনা ঘটান।
২০১৩ সালে কিশোর বয়সেই জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষমতা দেখান। মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন এসএনজিপিএল দলের সদস্য থেকে প্রাতিষ্ঠানিক টি২০ কাপের চূড়ান্ত খেলায় দূর্দান্ত খেলেন। এক পর্যায়ে সিম ও সুইংয়ে বেশ তৎপরতা দেখিয়ে ৩.১ ওভারে ৫/৯ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করিয়েছিলেন।
২০১৩ সাল থেকে পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১১ ডিসেম্বর, ২০১৩ তারিখে দুবাইয়ের ডিএসসিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি২০আইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। কিন্তু, ঘরোয়া ক্রিকেটের ফলাফলের পুণরাবৃত্তি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়ে আসতে পারেননি। তবে, ২০১৭ সালে সেরা ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে সচেষ্ট হন। শারজায় নিজস্ব দ্বিতীয় ওডিআইয়ে শ্রীলঙ্কার শীর্ষসারিতে ভাঙ্গনের সৃষ্টি করেন। মাত্র ২১ বলের ব্যবধানে পাঁচ-উইকেট দখল করেছিলেন। এরফলে, প্রতিপক্ষকে ১০৩ রানে গুটিয়ে ফেলতে বিরাট ভূমিকা রাখেন।
২০১৯-২০ মৌসুমে নিজ দেশে ডিমুথ করুণারত্নে’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। আবিদ আলী’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। একমাত্র ইনিংসে ১/৫৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
নিজ নামের পার্শ্বে মাত্র কয়েকটি আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা থাকলেও চিত্তাকর্ষক, বিধ্বংসী বোলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। নিজের সেরা দিনগুলোয় সেরা ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে সমীহের পাত্রে পরিণত হন। কৌণিকভাবে নতুন বল নিয়ে ওভার দি উইকেটে বোলিং করার মাধ্যমেই সফলতা পেয়ে থাকেন। পর্যায়ে পেস আনয়ণের কারণে স্ট্যাম্প বরাবর বল ফেলে বামহাতি ও ডানহাতি – উভয় ধরনের ব্যাটসম্যানদেরকেই হিমশিম খাওয়ান। কিন্তু, পিঠের আঘাতের পুণঃপুণ আবির্ভাবে স্বাভাবিক ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনে বিঘ্নের সৃষ্টি করতে থাকে।
