৬ অক্টোবর, ১৯৪৬ তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্সটাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। স্লিপ অঞ্চলে দূর্দান্ত ফিল্ডিং করতেন। ১৯৭০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।

ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিত্রিত হয়েছিলেন। তবে, ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম উপেক্ষিত অল-রাউন্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। ক্রিকেটকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে বিরাট ভূমিকা রেখেছেন। ক্রিকেটকে জীবনের চেয়েও অধিক ভালোবাসতেন। ক্রিকেটে বেশ সরব ছিলেন। মাঠ ও মাঠের বাইরে অনেকগুলো বিতর্কিত ভূমিকায় যুক্ত থাকলেও এমসিসি স্পিরিট অব কাউড্রে লেকচারে তাঁকে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখা যায়নি। স্বল্পসংখ্যক ক্রিকেটারের অন্যতম হিসেবে টেস্টে ৩০০০ রান ও ১০০ উইকেট লাভের মাইলফলকে যুক্ত রয়েছেন।

৬ ফুট ৬ ইঞ্চির দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সাসেক্স এবং দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে বর্ডার ও ইস্টার্ন প্রভিন্স দলের পক্ষাবলম্বন করেছিলেন। ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।

১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সময়কালে ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ৫৮ টেস্ট ও ২২টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। টেস্টগুলো থেকে ৪০.৪৩ গড়ে আট শতক সহযোগে ৩৫৯৯ রান ও ৩২.২০ গড়ে ৫৮ উইকেট দখল করেছিলেন। ১৯৭২ সালে নিজ দেশে ইয়ান চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৮ জুন, ১৯৭২ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৭ ও ৬২ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/২১ ও ৪/৫৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৮৯ রানে পরাভূত হলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, ২২ জুন, ১৯৭২ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৪ ও ২ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, উভয় ক্ষেত্রেই বব ম্যাসি’র বলে বিদেয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও, ১/৭৪ ও ০/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঐ খেলায় স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে সিরিজে সমতায় চলে আসে।

একই সফরের ১৩ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ ও ৩৬* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ২/৮৮ ও ০/৪৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে অগ্রসর হতে থাকে। একই সফরের ২৪ আগস্ট, ১৯৭২ তারিখে ম্যানচেস্টারে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন।

১৯৭২-৭৩ মৌসুমে টনি লুইসের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭২ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারত দলের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ২৯ ও ৬৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ১/১৩ ও ৫/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, স্বাগতিকরা ২৮ রানে জয় পেয়ে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতায় চলে আসে।

১৯৭৩ সালে নিজ দেশে বেভান কংডনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ৭ জুন, ১৯৭৩ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২ ও ১৩৯ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে রিচার্ড কলিঞ্জের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪/৩৩ ও ৩/১০১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ৩৮ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৭৪ সালে নিজ দেশে অজিত ওয়াড়েকরের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৬ জুন, ১৯৭৪ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৮ ও ৩/৩৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ১১৩ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে মাইক ডেনিসের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে জিপি হাওয়ার্থের তৃতীয় উইকেট লাভ করে টেস্টে ১০০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৫/৯৮ ও ৫/৫১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, দলের একমাত্র ইনিংসে ৫১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ইনিংস ও ৮৩ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই মৌসুমে ব্রিসবেনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অন্যতম সেরা ইনিংস খেলেন। ডেনিস লিলি ও জেফ থমসনের ন্যায় বোলারদের নিয়ে আক্রমণাত্মক ধাঁচে ১১০ রান তুলেন। এর দুই বছর পর কলকাতায় বিষেন বেদী, ভাগবত চন্দ্রশেখরইরাপল্লী প্রসন্নের স্পিন বোলিং সামলে নিয়ে ৪৩০ মিনিটে ১০৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন।

১৯৭৪ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। পোর্ট অব স্পেন টেস্টে তিনি ১৫৬ রান খরচায় ১৩ উইকেট লাভ করেন। এটি যে-কোন ইংরেজ বোলারের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অদ্যাবধি সেরা বোলিংয়ের মর্যাদা পেয়ে আসছে।

১৯৭৫ সালে নিজ দেশে ইয়ান চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১০ জুলাই, ১৯৭৫ তারিখে বার্মিংহামের এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৮ ও ৭ রান সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে ম্যাক্স ওয়াকারের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৪৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ইনিংস ও ৮৫ রানের ব্যবধানে জয়লাভ করে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, ৩১ জুলাই, ১৯৭৫ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৯৬ ও ৪১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৪৭ ও ২/৮২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে স্বাগতিকরা চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ১৪ আগস্ট, ১৯৭৫ তারিখে লিডসের হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ব্যাট হাতে নিয়ে ৫১ ও ৪৯ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ০/১৪ ও ০/২০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, ২৮ আগস্ট, ১৯৭৫ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ১৭ ও ১৫ রান সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে ডেনিস লিলি’র শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/১০৭ ও ১/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

১৯৭৬ সালে নিজ দেশে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৮ জুলাই, ১৯৭৬ তারিখে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ব্যাট হাতে নিয়ে ৯ ও ৩ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২৪ লাভ করেছিলেন। খেলায় সফরকারীরা ৪২৫ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

এরপর, ২২ জুলাই, ১৯৭৬ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ১১৬ ও ৭৬* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৫৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ৫৫ রানে পরাজিত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে এমসিসি দলকে নিয়ে ভারত সফরে যান। ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৭ তারিখে বোম্বের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ৭৬ ও ১০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৬৪ ও ১/৩৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সফরকারীরা ৩-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

১৯৭৭ সালে নিজ দেশে গ্রেগ চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৭ জুলাই, ১৯৭৭ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ৭৬ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৩৭ ও ১/১৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ৯ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ২৫ আগস্ট, ১৯৭৭ তারিখে লন্ডনের কেনসিংটন ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। স্মর্তব্য যে, বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরুর পূর্বে এটি সর্বশেষ টেস্ট ছিল। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে মিক মলোনের বলে শূন্য রানে বিদেয় নেন। এছাড়াও, ১/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলেও সফরকারীরা ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

এক পর্যায়ে বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ধনকুবের ক্যারি প্যাকারের পরিচালনায় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটে খেলেন। চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ক্রিকেটারদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন করতে অগ্রসর হন। বিশ্ব একাদশের অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেট সুপারটেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অংশ নেন।

১৯৭৫ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননা লাভ করেন। খেলোয়াড়ী জীবন শেষে ধারাভাষ্য কর্মের দিকে ঝুঁকে পড়েন ও বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেন। পরবর্তীতে, অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসিত হন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। মার্চ, ১৯৭০ সালে ডোনা রিডের সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। স্যাম নাম্নী কন্যা ও মার্ক নামীয় পুত্র সন্তানের জনক ছিলেন। অক্টোবর, ২০১২ সালে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা করেন। ২৯ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে সিডনির সেন্ট ভিনসেন্টস হাসপাতালে ৬৬ বছর ৮৪ দিন বয়সে হৃদযন্ত্র ক্রীয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাঁর দেহাবসান ঘটে। ২৪ জুন, ২০১৩ তারিখে লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট