১৮ সেপ্টেম্বর, ২০০০ তারিখে হাম্বানতোতায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করছেন।
হাঙ্গামাভিত্তিক হাঙ্গামা বিজয়বহু সেন্ট্রালে অধ্যয়ন করেছেন। ২০২০-২১ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কোল্টসের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, ডাম্বুলা ভাইকিং, ডারবান্স সুপার জায়ান্টস, গল গ্ল্যাডিয়েটর্স, জাফনা কিংস, শ্রীলঙ্কা ‘এ’ ও শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে খেলেছেন। ১৩ মার্চ, ২০২০ তারিখে কলম্বোয় (কোল্টস) অনুষ্ঠিত নেগোম্বো বনাম কোল্টস সিসির মধ্যকার খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। সাদা-বলের ক্রিকেটের মাঝে খেলোয়াড়ী জীবনে শুরু করলেও ধীরে ধীরে টেস্টের উপযোগী করে গড়ে তুলেছেন।
লঙ্কা প্রিমিয়ার লীগের নিলামে তাঁকে বেশ বড় অঙ্কে খরিদ করা হয়। এর পূর্বে ২০২২ সালের টি২০ বিশ্বকাপে তাঁকে বিবেচনায় আনা হলেও আঘাতের কারণে তাঁকে নিরাশ হতে হয়। বিশ্বকাপের বাছাইয়ে তাঁকে দলে রাখা হয়নি। তাসত্ত্বেও সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে আঘাতজনিত কারণে দুষ্মন্ত চামিরা’র পরিবর্তে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়। চার খেলা থেকে আট উইকেট পান ও ওভারপ্রতি ৪ রান খরচ করেছিলেন।
২০২২ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০২৩ সালে নিজ দেশে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। বেশ প্রতিশ্রুতিশীল বামহাতি দ্রুতগতির বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। ১৬ জুলাই, ২০২৩ তারিখে থেকে শুরু হওয়া দুই-টেস্টের সিরিজে ১৬ সদস্যের দলে তাঁকে ঠাঁই দেয়া হয়। শুরুতে তাঁকে দলের বাইরে রাখা হয়েছিল। তবে, অসিত ফার্নান্দো ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে তাঁকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়। ২৪ জুলাই, ২০২৩ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। মোটই সুবিধে করতে পারেননি। ০/৭৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, আব্দুল্লাহ শফিকের দ্বি-শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ২২২ রানে জয় পেয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
