|

রিয়াজ আফ্রিদি

২১ জানুয়ারি, ১৯৮৫ তারিখে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পেশাওয়ার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

২০০১-০২ মৌসুম থেকে ২০১২-১৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে ফাটা চিতা, লাহোর বাদশার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দীর্ঘদেহী ও শশব্যস্ত ফাস্ট-মিডিয়াম বোলার রিয়াজ আফ্রিদি ২০০৪ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের পক্ষে খেলেন। ঐ প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান দলের সফলতার পাশাপাশি বেশ সুখ্যাতি কুড়ান। ১৩-এর কম গড়ে ১৯ উইকেট দখল করে দলের শীর্ষ উইকেট শিকারীতে পরিণত হন। এরফলে, বড়দের দলে দ্রুত অংশগ্রহণের পথ সুগম হয়। ঐ মৌসুমে ৮০টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট পান।

২০০৪ সালে পাকিস্তানের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০০৪-০৫ মৌসুমে নিজ দেশে মারভান আতাপাত্তু’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ২৮ অক্টোবর, ২০০৪ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। রানা নাভেদ-উল-হাসানের সাথে তাঁরও একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, দানিশ কানেরিয়া’র দূর্দান্ত বোলিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৬ উইকেটে জয় পেয়ে সিরিজ ড্র করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

দূর্ভাগ্যবশতঃ এটিই তাঁর একমাত্র আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ ছিল। দুই উইকেট পেলেও তাঁর বোলিং ভঙ্গীমা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে কেবলমাত্র ঘরোয়া ক্রিকেটেই তিনি অংশ নিতে থাকেন। তবে, আঘাতের কারণেও তাঁকে এ স্তরের ক্রিকেটে প্রতিবন্ধকতার পরিবেশ সৃষ্টি করে।

আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণের তেমন সম্ভাবনা না থাকায় আটজন পাকিস্তানী খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সালে অনুমোদনবিহীন ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লীগে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড থেকে খেলোয়াড়দের উপর আন্তর্জাতিক খেলাসহ ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে।

সম্পৃক্ত পোস্ট