২৫ নভেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ট্রারালগন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
স্টিভ সিডল ও অ্যালিসন সিডল দম্পতির সন্তান। ‘ভিসিয়াস’ কিংবা ‘ডার্মি’ ডাকনামে ভূষিত পিটার সিডল ৬ ফুট ২ ইঞ্চি (১.৮৭ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ১৪ বছর বয়সে লাট্রোব ক্রিকেট ক্লাবের মাধ্যমে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। এক খেলায় ৪৭ রান খরচায় ১১ উইকেট দখল করে প্রারম্ভিক সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। ভিক্টোরিয়ার পক্ষে খেলার পূর্বে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট একাডেমিতে যোগ দেন। আঘাতের কারণে প্রায়শঃই তাঁর খেলোয়াড়ী জীবন উত্থান-পতনে ভরপুর ছিল।
২০০৫-০৬ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে নটিংহ্যামশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স, মেলবোর্ন রেনেগাডেস ও মন্ট্রিল টাইগার্সের পক্ষে খেলেছেন। ১১ নভেম্বর, ২০০৫ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত ভিক্টোরিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান একাদশের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে তাঁর প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটে।
২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ৬৭ টেস্ট, ২০টি ওডিআই ও দুইটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। ২০০৮-০৯ মৌসুমে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ভারত গমন করেন। ১৭ অক্টোবর, ২০০৮ তারিখে মোহালিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৩/১১৪ ও ১/৬২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ০ ও ০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক এমএস ধোনি’র অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩২০ রানে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
একই মৌসুমে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে গ্রায়েম স্মিথের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ১৭ ডিসেম্বর, ২০০৮ তারিখে পার্থে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২৩ ও ৪* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ১/৪৪ ও ০/৮৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এবি ডি ভিলিয়ার্সের অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে সফরকারীরা ৬ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই মৌসুমে নিজ দেশে গ্রায়েম স্মিথের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৩ জানুয়ারি, ২০০৯ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৫/৫৯ ও ৩/৫৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ২৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, তাঁর অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০৩ রানে জয় পেলেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
২০০৯ সালে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ৩০ জুলাই, ২০০৯ তারিখে বার্মিংহামের এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৮৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, মাইকেল ক্লার্কের অনবদ্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে।
২০১০-১১ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যান্ড্রু স্ট্রসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। গাব্বায় নিজস্ব জন্মদিনে অসাধারণ অর্জনের সাথে নিজেকে জড়ান। সর্বশেষ অস্ট্রেলীয় বোলার হিসেবে টেস্টে হ্যাট্রিক করার কৃতিত্বের সাথে নিজেকে জড়ান।
একই সফরের ৩ ডিসেম্বর, ২০১০ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ৩ ও ৬ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১২১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কেভিন পিটারসনের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৭১ রানে পরাভূত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
২০১১-১২ মৌসুমে নিজ দেশে রস টেলরের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ৯ ডিসেম্বর, ২০১১ তারিখে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। প্রথম ইনিংসে ২৮ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৩৬ ও ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৪২ ও ৩/৬৬ লাভ করেন। ডেভিড ওয়ার্নারের অসাধারণ শতক সত্ত্বেও স্বাগতিকরা ৭ রানে পরাজিত হলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।
২০১৩ সালে মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২১ আগস্ট, ২০১৩ তারিখে ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/৭৪ ও ০/১৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২৩ রান সংগ্রহ করেন। তবে, শেন ওয়াটসনের দূর্দান্ত ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে স্বাগতিকরা ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
২০১৩-১৪ মৌসুমে ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে ধবল ধোলাই করতে বিরাট ভূমিকা রাখেন। ঐ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যালাস্টার কুকের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। প্রায়শঃই বোলিং আক্রমণে বিরাট প্রভাব ফেলতেন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৩ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৫০ ও ১/৪৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ক্রিস ব্রডের বলে শূন্য রানে বিদেয় নেন। তবে, মিচেল জনসনের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে ঐ টেস্টে সফরকারীরা ৮ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৪-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ৩ জানুয়ারি, ২০১৪ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ০ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/২৩ ও ০/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা রায়ান হ্যারিসের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে ২৮১ রানে জয় পেলে ৫-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
২০১৫ সালের অ্যাশেজ সিরিজ খেলতে মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ইংল্যান্ড সফরে যান। ২০ আগস্ট, ২০১৫ তারিখে লন্ডনের কেনিংটন ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৩২ ্ও ৪/৩৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্টিভেন স্মিথের মনোরম শতকে সফরকারীরা ইনিংস ও ৪৬ রান জয় পেলেও ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
২০১৫-১৬ মৌসুমে নিজ দেশে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৭ নভেম্বর, ২০১৫ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের এটিই প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্ট ছিল। ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে ডিএজে ব্রেসওয়েলের দ্বিতীয় উইকেট লাভ করে টেস্টে ২০০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ২/৫৪ ও ০/৩৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ০ ও ৯* রান সংগ্রহ করেছিলেন। জশ হ্যাজলউডের চমৎকার বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৩ উইকেটে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
একই মৌসুমে নিজ দেশে জেসন হোল্ডারের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে মেলবোর্নের বক্সিং ডেতে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ২/৪০ ও ১/৩৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কোন ইনিংসেই তাঁকে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে হয়নি। নাথান লায়নের অনবদ্য বোলিং কৃতিত্বে সফরকারীরা ১৭৭ রানে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
২০১৫-১৬ মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ফিরতি সফরে স্টিভেন স্মিথের নেতৃত্বাধীন অজি দলের অন্যতম সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ১৭ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৪৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৩৭ ও ০/৩০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। অ্যাডাম ভোজেসের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৫২ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
২০১৯ সালে ড্র হওয়া অ্যাশেজ সিরিজেও দারুণ খেলেন। ঐ বছর টিম পেইনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। তিন টেস্ট থেকে সাত উইকেট পেয়েছিলেন। ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ১৮ ও ১৩* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৬১ ও ২/৫২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। জোফ্রা আর্চারের অনবদ্য বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ১৩৫ রানে পরাভূত হলে সিরিজটি ২-২ ব্যবধানে শেষ হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
টেস্টগুলো থেকে ২২১ উইকেট দখল করেছেন। এ পর্যায়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের শীর্ষ উইকেট শিকারীদের তালিকায় ত্রয়োদশ স্থানে অবস্থান করেছিলেন। ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে তাঁর অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন। তবে, প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন।
২০০৯ সালে আইসিসি বর্ষসেরা উদীয়মান খেলোয়াড় হিসেবে মনোনীত হন। এছাড়াও, তিনি নিরামিষভোজী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন ও নিরামিষ আহার আন্দোলনে জড়িত রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। অ্যানা ওয়েদারলেক নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন।
