৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে টোবাগোর অ্যাকর্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঝে-মধ্যে অফ-স্পিন বোলিং করতেন। দৃশ্যতঃ বেশ সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়ী জীবনের দিকে অগ্রসর হন। অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম থেকে ২০০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, হিয়ারফোর্ডশায়ারের পক্ষে খেলেছেন। উপর্যুপরী তিন বছর টিএন্ডটি’র পক্ষে দূর্দান্ত খেলেন। ১৯৯৯ সালে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় পাঁচ ইনিংসে ৫১ গড়ে ২৫৫ রান তুলেন। তন্মধ্যে, ঐ বছরের শুরুতে লিওয়ার্ড আইল্যান্ডসের বিপক্ষে ১৫১ রানের মনোমুগ্ধকর ইনিংস উপহার দেন।
খুব কমই শুরুটা ভালোভাবে সামনের দিকে নিয়ে যেতে পেরেছেন। ২০ ও ৩০-এর কোটায় নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতেন। টেস্টে অংশ নেয়ার পূর্বে চারটি ছক্কা সহযোগে ৩৮ রান তুলেছিলেন।
১৯৯৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেছিলেন। আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় কিছু দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ঐ বছর নিজ দেশে স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৩ মার্চ, ১৯৯৯ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। নেহেমিয়া প্যারি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এরফলে, টোবাগোর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নেয়ার গৌরব অর্জন করেন। কিন্তু একমাত্র ইনিংসটিতে শূন্য রানে তাঁকে সাঝঘরে ফেরৎ আসতে হয়। গ্লেন ম্যাকগ্রা’র বলে শেন ওয়ার্নের কটে বিদেয় নেন। তবে, দলীয় অধিনায়ক ব্রায়ান লারা’র অসাধারণ দ্বিশতকের (২১৩) কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতা আনতে সমর্থ হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্রত্যাখ্যাত হলেও ২০০৩ সাল পর্যন্ত ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর পক্ষে দারুণ খেলতে থাকেন। পোর্ট অব স্পেনের ক্রাউন প্লাজায় আয়োজিত দেশের স্বাধীনতা ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ক্রিকেট বোর্ড থেকে ১৭জন প্রশাসক ও ৩৩জন খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে সম্মানিত হন।
