|

জ্যাক উইলসন

২০ আগস্ট, ১৯২১ তারিখে ভিক্টোরিয়ার আলবার্ট পার্ক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘চাকার’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। কিশোর অবস্থায় ফুটবল খেলতেন ও গুরুতর আঘাত পান। ফলশ্রুতিতে, তাঁর ফিল্ডিং ও উইকেটে বল প্রেরণ বেশ দূর্বলতর ছিল। জনৈক চিকিৎসক তাঁকে বলেছিলেন যে, কখনো বামহাত ব্যবহার করতে পারবেন না। বামহাতে স্পিন বোলিং করলেও দৃশ্যতঃ মিডিয়াম-পেস বোলিংয়ের ন্যায়। ১৯৪৯-৫০ মৌসুম থেকে ১৯৫৭-৫৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়া ও ভিক্টোরিয়া দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৫৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেন। ১৯৫৬-৫৭ মৌসুমে ইয়ান জনসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ভারত গমন করেন। ২৭ বছর বয়সে ২৬ অক্টোবর, ১৯৫৬ তারিখে বোম্বের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। জ্যাক রাদারফোর্ডের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৬৪ রান খরচায় ১ উইকেট পেয়েছিলেন। খেলায় তিনি ০/৩৯ ও ১/২৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে মাঠে নামার সুযোগ পাননি। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

এর পূর্বে দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেছিলেন। তবে, কোন টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। এ সফরে ২৩.০৬ গড়ে ৪৩ উইকেট দখল করেন। তন্মধ্যে, ব্রিস্টলে গ্লুচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ৬১ রান খরচায় ১২ উইকেট দখল করেন। প্রথম ইনিংসে ৭/১১ পেয়েছিলেন।

১৩ অক্টোবর, ১৯৮৫ তারিখে ভিক্টোরিয়ার মেলবোর্নে ৬৪ বছর ৫৪ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট