১৩ জুলাই, ১৯১০ তারিখে জ্যামাইকার কিংস্টনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩৪-৩৫ মৌসুম থেকে ১৯৫০-৫১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।

১৯৪৮ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেছিলেন। ১৯৪৭-৪৮ মৌসুমে নিজ দেশে গাবি অ্যালেনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২৭ মার্চ, ১৯৪৮ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। এসমন্ড কেন্টিশ ও কেনেথ রিকার্ডসের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অসাধারণ বোলিংশৈলী প্রদর্শন করে অভিষেক খেলাকে স্মরণীয় করে রাখেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে  ৫/৪১ ও ৫/৫৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১০ উইকেটে জয়লাভ করলে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

১৯৫০ সালে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ৩-১ ব্যবধানে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় করে। ৮ জুন, ১৯৫০ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৮ ও ২২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। আল্ফ ভ্যালেন্টাইনের অসাধারণ বোলিংশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কারণে সফরকারীরা ২০২ রানে পরাভূত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ২০ জুলাই, ১৯৫০ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে অ্যালেক বেডসারের বলে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৫৯ ও ০/৬৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ১০ উইকেটে পরাজিত হলে স্বাগতিকরা চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

২৪ জুন, ১৯৮৭ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে ৭৬ বছর ৩৪৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট