২৯ মে, ১৯৫০ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৭০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
জেদি প্রকৃতির উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম থেকে ১৯৭৮-৭৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বমোট ১০ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। তবে, অংশগ্রহণকৃত টেস্টগুলো থেকে মাত্র একটিতে পাকিস্তান দল জয় পেয়েছিল।
১৯৭২-৭৩ মৌসুমে ইন্তিখাব আলমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। আঘাতপ্রাপ্তির মাধ্যমে টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবনের সূচনা ঘটে। ২২ ডিসেম্বর, ১৯৭২ তারিখে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টের প্রথম ইনিংসে দলীয় সংগ্রহ ১২/০ থাকাকালীন ডেনিস লিলি’র বলে বৃদ্ধাঙ্গুলে আঘাত পেলে রিটায়ার হার্ট হন। ৭ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ইনিংস ও ১১৪ রানে জয় পেয়ে স্বাগতিকরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে মুশতাক মোহাম্মদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪০ ও ৬১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তন্মধ্যে, সংগৃহীত ৬১ রানই পরবর্তীতে তাঁর ব্যক্তিগত সেরা হিসেবে চিত্রিত হয়ে পড়ে।
এরপর, একই সফরের ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে অকল্যান্ডে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ১ ও ৮* রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিক গড়ালে সফরকারীরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর আইসিসি ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। ১০ টেস্ট ও ২৬টি ওডিআই পরিচালনা করেছিলেন। ২০০৭ সালে পাকিস্তান দলের ব্যবস্থাপক হিসেবে ভারত গমন করেন।
